প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব এবং রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন মন্তব্য করেছেন, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত জনতার যে জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, সেই জোয়ার থামানোর ক্ষমতা কারও নেই। তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের পথসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
আখতার হোসেন উল্লেখ করেন, ‘শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে দলীয় পরিচয়ধারীদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনে এমন একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যিনি বিএনপির দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এর আগে এমন নিয়োগের উদ্দেশ্য কী—তা সহজেই বোঝা যায়।’
তিনি অভিযোগ করেন, সামনের নির্বাচনের জন্য দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠার নতুন পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। তবে তিনি নিশ্চিত করেছেন, বাংলাদেশে আর আওয়ামী লীগের আমলের মতো নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।
রাতের ভোট এবং একতরফা নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে এনসিপির এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের মতো একতরফা নির্বাচন, রাতের ভোট কিংবা ভোটকেন্দ্র দখলের রাজনীতি আর ফিরে আসতে দেওয়া হবে না।
সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, নির্বাচন দেওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবে নির্বাচনের কোনো প্রস্তুতি দেখা যাচ্ছে না। সিটি করপোরেশন থেকে ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় প্রশাসক বসিয়ে রাখা হয়েছে। অথচ নির্বাচন দেওয়ার বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।
ছয় দফা দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চের প্রসঙ্গ তুলে আখতার হোসেন বলেন, এই কর্মসূচিকে ঘিরে মানুষের মধ্যে যে ঐক্য তৈরি হয়েছে, তা আর থামানো যাবে না। ‘ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত জনতার যে জোয়ার তৈরি হয়েছে, সেই জোয়ার থামানোর ক্ষমতা কারও নেই।’
গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থান নিয়ে ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে। জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে স্বীকৃতি দিয়ে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে। পথসভায় ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন