প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পশ্চিমা দেশগুলোর চাপের মাঝে ইউক্রেন যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সময় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর নেতাদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শুরু করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
বুধবার রাশিয়ার কাজান শহরে এই সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে। তাতারস্তান অঞ্চলের রাজধানী কাজানে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে আসিয়ানভুক্ত ১১টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। মূল বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে পরদিন। ক্রেমলিন থেকে জানানো হয়েছে, রাশিয়া ও আসিয়ান দেশগুলোর সহযোগিতার ৩৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।
থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীরা এতে অংশ নিচ্ছেন। ফিলিপিন্সের প্রতিনিধিত্ব করছেন প্রেসিডেন্ট ফের্দিনান্দ মার্কোস। সামরিক অভ্যুত্থানের পর মস্কোর ঘনিষ্ঠ মিয়ানমারও একটি প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছে।
রুশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৈঠকে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সমস্যা ছাড়াও নিরাপত্তা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং মানবিক সহযোগিতার নতুন লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা করা হবে। ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করার পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়া তার অর্থনীতি, বিশেষ করে জ্বালানি রপ্তানি, এশিয়ার দিকে বেশি ঘুরিয়ে নিয়েছে।
এদিকে একই সময়ে ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে মস্কোর ওপর চাপ দেওয়া হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়াকে যুদ্ধ শেষ করতে সমঝোতায় আসার আহ্বান জানিয়েছেন এবং সতর্ক করেছেন যে, রাশিয়ার তেলের ওপর আবারও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে।
ইউক্রেন যুদ্ধে চার বছরের বেশী সময় ধরে জড়িয়ে থাকার ফলে, রাশিয়ার অর্থনীতি এখন উচ্চ মূল্যস্ফীতি, শ্রমিক সংকট ও ঋণের চাপের মুখে রয়েছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় সংঘাতে পরিণত হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন