প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে আবাসিক শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান (১৪) হত্যা মামলায় পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে একজন শিক্ষক এবং একজন শিক্ষার্থী। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তবে পুলিশ গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর নাম এবং পরিচয় প্রকাশ করেনি, যা তদন্তের স্বার্থে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমী বলেন, একজন শিক্ষক এবং একজন শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ জুন বিকেলে রামগঞ্জের ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির আবাসিক হল থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সেই মরদেহে তার পিঠ ও গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল, যা পুলিশ জানায়।
এদিকে, ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটকসহ কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুর চালায়। নিহত মেহেদী রামগঞ্জ উপজেলার সোনাপুর বাজার এলাকার ব্যবসায়ী জিয়া উদ্দিনের ছেলে।
এ ঘটনায় ১৮ জুন নিহতের বাবা জিয়া উদ্দिन রামগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ খন্দকার আব্দুল মান্নানসহ সাত শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরো ১০ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, একটি আইফোন চুরির ঘটনায় অভিযুক্ত কয়েকজন শিক্ষার্থীর মারধরের শিকার হয়ে মেহেদীর মৃত্যু হয়। অন্যদিকে, ঘটনার পর অধ্যক্ষ খন্দকার আব্দুল মান্নানকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তার স্থলে জ্যেষ্ঠ প্রভাষক শরীফুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন