প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে ৬০টি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপন করা হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘জাতীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ গঠন’ সম্পর্কিত গবেষণার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট।
স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে হেলথ ইনস্যুরেন্স ব্যবস্থা কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি হেলথ সেন্টার ও তিনটি করে ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার সেন্টার স্থাপন করা হবে। তিনি জানান, প্রান্তিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য ওয়েলবিং সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হবে, যা আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে টেন্ডার করে ১ বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে। এসব সেন্টারে রক্তের বিভিন্ন পরীক্ষা ও বিভিন্ন স্ক্রিনিং করার সুযোগ থাকবে। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে যে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, তা দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে শতভাগ উপযোগী হলেও একসাথে সব কিছু বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত কঠিন। তাই সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে ধাপে ধাপে পাইলট স্কিম হিসেবে এই কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক ড. মো. এনামুক হকসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, বিশেষায়িত ইনস্টিটিউট ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চিকিৎসকদের অটোমেশন পদ্ধতিতে বদলি ও পদায়ন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, চিকিৎসকদের বদলি ও পদায়নে কোনো রাজনৈতিক দলের পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হবে না। অটোমেশন পদ্ধতিতে চিকিৎসকদের মেধা, যোগ্যতা ও পছন্দকে গুরুত্ব দিয়ে বদলি ও পদায়ন করা হবে। এতে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বা পক্ষপাতিত্বের সুযোগ থাকবে না। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, অটোমেশন পদ্ধতিতে ৮৭ জন চিকিৎসককে তাদের পছন্দ, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদায়ন করা হচ্ছে। এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় এ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগত পরিচয়, রাজনৈতিক বিবেচনা বা অন্য কোনো প্রভাবের সুযোগ নেই।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ. ন. ম. বজলুর রশিদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ কে এম বেঞ্জামিন রিয়াজী এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডা. মো. নাজমুল হোসেনসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন