প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দুই দিন ধরে মদনমোহনপুর ও চাম্পারায় চা বাগানের শ্রমিকেরা বকেয়া মজুরি পরিশোধের জন্য কর্মবিরতি পালন করছেন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) তারা পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শেষে বাগান এলাকায় মানববন্ধন করেন।শ্রমিকেরা ঘোষণা দিয়েছেন যে, বকেয়া মজুরি পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত তারা কর্মবিরতি অব্যাহত রাখবেন।
মঙ্গলবার সকাল থেকে বাগান দুটির স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে নারী ও পুরুষ শ্রমিকেরা একত্রিত হয়ে মানববন্ধনে অংশ নেন। এ সময় তাদের হাতে থাকা ব্যানারে লেখা ছিল, ‘বকেয়া মজুরির দাবিতে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি ও মানববন্ধন’ এবং ‘বকেয়া মজুরি পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত বাগান পূর্ণ কর্মবিরতিতে থাকবে।
আন্দোলনরত শ্রমিকেরা জানিয়েছেন, চা বাগানে কাজ করে পাওয়া মজুরির ওপর তাদের অধিকাংশ পরিবারের জীবন-জীবিকা নির্ভরশীল। নিয়মিত কাজ করেও সময়মতো মজুরি না পাওয়ায় তারা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনা, সন্তানদের পড়াশোনা, চিকিৎসাসহ পরিবারের অন্যান্য খরচ মেটাতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন।
শ্রমিকদের মতে, তারা কোনো অতিরিক্ত সুবিধা দাবি করছেন না; বরং নিজেদের শ্রমের ন্যায্য পাওনা মজুরি চান।
দীর্ঘদিনের বকেয়া মজুরি পরিশোধ না করে স্বাভাবিকভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়া তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই তারা দ্রুত বকেয়া মজুরি পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া একাধিক শ্রমিক জানিয়েছেন, নিয়মিত বাগানে কাজ করলেও সময়মতো মজুরি না পাওয়ায় পরিবার নিয়ে চলতে কষ্ট হচ্ছে। বাজারে বাকিতে পণ্য নিতে হচ্ছে এবং সন্তানদের প্রয়োজনীয় খরচও ঠিকমতো মেটানো যাচ্ছে না। দ্রুত বকেয়া মজুরি পরিশোধের জন্য তারা বাগান কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এদিকে, চাম্পারায় চা বাগানের ব্যবস্থাপক রাহেল রানা শ্রমিকদের দুই দিন ধরে কর্মবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার বাগানসহ আশপাশের ন্যাশনাল টি কম্পানির সব ব্যবস্থাপক ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ একসঙ্গে বসে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছি। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যেই এর সমাধান হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন