প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনে ই-রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম আগামীকাল সোমবার থেকে শুরু হবে, এমন তথ্য জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি উল্লেখ করেন, নিবন্ধন ছাড়া কোনো ই-রিকশা সড়কে চলাচল করতে পারবে না।
রবিবার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য জানান।
সোমবার থেকেই দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনে ই-রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে, যা ধাপে ধাপে পরিচালিত হবে। তবে, বর্তমানে চলাচলরত রিকশা মালিকদের আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। বৈধ ও অবৈধ রিকশাগুলো আপাতত চলতে থাকবে বলেও তিনি জানান।
মীর শাহে আলম বলেন, দুজন যাত্রী ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ই-রিকশার এককালীন নিবন্ধন ফি ৮০০০ টাকা এবং নবায়ন ফি বাৎসরিক ৪০০০ টাকা। চারজন যাত্রী ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ই-রিকশার জন্য এককালীন নিবন্ধন ফি ১০,০০০ টাকা এবং বাৎসরিক নবায়ন ফি পাঁচ হাজার টাকা। ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য জোনভিত্তিক চলাচল, রুট নির্ধারণ এবং ই-রিকশার নির্দিষ্ট রং চূড়ান্ত করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সিটি করপোরেশন এলাকায় স্বল্প গতির ব্যাটারিচালিত ই-রিকশার চলাচলে বিধিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার। একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে যেকোনো এক বা একাধিক সিটি থেকে পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন করা যাবে।
নিবন্ধন ছাড়া কোনো ই-রিকশা চলাচল করতে পারবে না। প্রতিটি ই-রিকশায় স্পিডোমিটার স্থাপন করতে হবে। অনুমোদিত গতিসীমা ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটারের বেশি হবে না বলেও তিনি জানান।
শাহে আলম বলেন, স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় ও জনবহুল স্থানে সর্বোচ্চ গতিসীমা হবে প্রতি ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার। প্রতিটি ই-রিকশার ইকোনোমিক লাইফ টাইম নিবন্ধনের থেকে ১২ বছর পর্যন্ত হবে। সোমবার থেকে ১৩টি সিটি এলাকায় নিবন্ধন কাজ শুরু হবে এবং এটি পর্যায়ক্রমে চলবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে চলাচলরত রিকশাগুলো এখনই বন্ধ করা হবে না। তবে, ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জিং স্টেশন থেকেই চার্জ করতে হবে। অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চার্জ দেওয়ার ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন