প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সরকারি কর্মচারীরা বৈষম্যহীন ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে নাসিরনগর উপজেলা কল্যান ফেডারেশন শাখার উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
তাদের দাবিগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল- অনুপাতে ১২ গ্রেডভিত্তিক নতুন পে-স্কেল নির্ধারণ করে সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা, দ্রুততম সময়ে পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে তা কার্যকর করা। এ ছাড়া, তারা জ্বালানি উপদেষ্টার সাম্প্রতিক একটি বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এলজিইডি অফিসের হিসাবরক্ষক মোঃ ফরিদুল হক, পরিবার পরিকল্পনা অফিসের হিসাবরক্ষক মীর মোশারফ হোসেন, উপজেলা পরিষদের সিএ মোঃ রাশিদুল হাসান, উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির মোঃ রমজান মিয়া, উপজেলা মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী শরিফা আক্তার, পরিবার পরিকল্পনা অফিসের পরিদর্শিকা রাজিয়া সুলতানা এবং উপজেলা কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী কর্মচারীরা অবিলম্বে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানান। তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে দ্রুত দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান এবং তা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। মোঃ ফরিদুল হক বলেন, "বাংলাদেশে কোন বৈষম্য যেন না থাকে, এই জন্য আপনাকে সবাই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের যত কর্মচারী আছে, কর্মকর্তা আছে, বিভিন্ন পর্যায়ে যারা আছেন তাদের কথা চিন্তা করে আপনি আমাদের এই পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়ন করবেন বলে আমরা আশা করি। যদি এটা বাস্তবায়ন করেন, সকল বাংলাদেশের যারা এই পে-স্কেলের সুবিধা পাবে, আজীবন তারা মনে রাখবে। শুধু তারাই না, তাদের ফ্যামিলি যারা থাকবে প্রত্যেকেই আজীবন আপনার এই পে-স্কেলের কথা তারা স্মরণ রাখবে।"
উপজেলা পরিষদের সিএ মোঃ রাশিদুল হাসান বলেন, "কর্মচারীরা একত্রে একাত্মা ঘোষণা করে যোগ দেন। আমাদের আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি নবম পে স্কেলের দাবী বাস্তবায়নের কর্মসূচিতে সকল কর্মচারীর অংশগ্রহণের আহ্বান জানাই।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন