প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে এবার সমুদ্রেও কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে ইউরোপ। ফ্রান্স এবং যুক্তরাজ্যের সহায়তায় আটক করা হয়েছে রুশ 'শ্যাডো ফ্লিট'-সংশ্লিষ্ট একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার। যদিও রোমানিয়ার ভূখণ্ডে রুশ ড্রোন আঘাত হানার ঘটনায় ন্যাটোজুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হচ্ছে।
রাশিয়ার তেল রফতানি ও যুদ্ধের অর্থায়নে আঘাত হানার জন্য এবার একটি ভিন্ন কৌশল গ্রহণ করেছে ইউরোপ। আটলান্টিক অঞ্চলে রুশ 'শ্যাডো ফ্লিট'-সংশ্লিষ্ট সন্দেহে ফরাসি নৌবাহিনী 'ট্যাগর' নামের একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার আটক করেছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁয়ের হুঁশিয়ারী, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে ক্রেমলিনের এই অর্থের উৎস কোনোভাবেই চলতে দেয়া হবে না।
ফরাসি কর্তৃপক্ষ উল্লেখ করেছে, সংশ্লিষ্ট জাহাজটি ভুয়া পতাকা ব্যবহার করে চলাচল করছিল।
এই সমুদ্রের কড়াকড়ির মধ্যেই আকাশপথে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে ন্যাটো সীমান্ত। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি একটি রুশ ড্রোন রোমানিয়ার গালাতি শহরের আবাসিক ভবনে আঘাত হানে। এই ঘটনার ফলস্বরূপ ইউরোপীয় ইউনিয়ন এটি গুরুতর আকাশসীমার লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। ব্রাসেলসের বক্তব্য, এই আগ্রাসন প্রমাণ করে যে ইউক্রেনকে আরও বেশি সামরিক সহায়তা দেয়া এবং মস্কোর বিরুদ্ধে আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা এখন সময়ের দাবী।
এদিকে, ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রের ভূখণ্ডে রুশ ড্রোনের আঘাত হানার পরও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রহস্যজনকভাবে নীরব রয়েছেন। হোয়াইট হাউসের এই নীরবতা পশ্চিমা কূটনৈতিক মহলে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।
বিশ্লেষকদের কয়েকটি অংশের দাবি, ট্রাম্পকে প্রায়ই ন্যাটোর ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করতে দেখা যায়, কিন্তু রাশিয়ার এ ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে তার ভাষায় সেই একই কঠোরতা দেখা যাচ্ছে না।
অন্যদিকে, ইউক্রেন সীমান্তে ড্রোন যুদ্ধ রাশিয়ার কর্মকাণ্ডকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। মে মাসে, ইউক্রেন লক্ষ্য করে রেকর্ড ৮ হাজার ১৫০টি দূরপাল্লার ড্রোন হামলা চালিয়েছে মস্কো, যা যুদ্ধ শুরুর পর এক মাসে সর্বোচ্চ। ইউক্রেন দাবি করছে যে বেশিরভাগ ড্রোন আকাশেই ধ্বংস হয়েছে, কিন্তু কিয়েভ সতর্ক করেছে যে তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং গোলাবারুদের মজুত দ্রুত শেষ হয়ে আসছে। এর ফলে, যুদ্ধ থামার কোনো লক্ষণ নেই, বরং তা আরও দীর্ঘ এবং জটিল রূপ নিচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন