প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
উত্তর কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। মঙ্গলবার দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের (এনআইএস) কাছ থেকে একটি ব্রিফিং পাওয়ার পর দেশটির একজন আইনপ্রণেতা এ তথ্য জানিয়েছেন।
তবে পিয়ংইয়ং এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ হয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ইউন কুন-ইয়ং সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বৈঠক যেকোনো সময় অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে গোয়েন্দা সংস্থাটি মনে করছে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন যে, তিনি চলতি বছরের শেষ দিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে সাক্ষাতের পরিকল্পনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বার্ষিক সামরিক মহড়া ব্যাপকভাবে কমানোর নির্দেশ দেওয়ার পর তিনি এই মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প এবং কিম এর আগে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে তিনবার বৈঠক করেছেন। এদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা মনে করছে, কিম জং উনের কন্যা জু এ-কে উত্তর কোরিয়ার পরবর্তী নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে।
আইনপ্রণেতা ইউন কুন-ইয়ং বলেন, উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে জু এ-কে প্রায়ই দেখা যাচ্ছে। এনআইএস তাকে উত্তরসূরি হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া চলমান থাকার বিষয়টি হিসেবে বিবেচনা করছে।
অন্যদিকে, ইউক্রেনে রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করতে উত্তর কোরিয়া নতুন করে সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করছে দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা। ইউন বলেন, বর্তমানে উত্তর কোরিয়া ইউক্রেনে অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা ‘খুবই কম’।
এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছিলেন যে, রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করতে উত্তর কোরিয়া আরো ৫০ হাজার সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। তবে কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং এই দাবি অস্বীকার করেছেন।
এদিকে এনআইএসের কাছ থেকে ব্রিফিং পাওয়া আরেক আইনপ্রণেতা ইউ ইয়ং-হা জানান, দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা উত্তর কোরিয়ার একটি ক্ষেপণাস্ত্রের নকশা এবং দেশটির ক্ষমতাসীন দলের একটি অভ্যন্তরীণ নথি পেয়েছে।
তবে তিনি এসব বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন