প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান, সঠিক পরিকল্পনা ও নিবিড় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে অলিম্পিক, কমনওয়েলথ ও এশিয়ান গেমসের মতো মেগা আসরে শুধু অংশগ্রহণ নয়, বরং পদক জয়ের জন্য লড়াই করবে বাংলাদেশ।
আজ জাতীয় স্টেডিয়ামে সামার অ্যাথলেটিকসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সরকারের এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার বিষয়ে আলোচনা করেন।
প্রতিমন্ত্রী তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণ ও তা লালনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, 'আমরা প্রথম আসরের সব খেলোয়াড়কে ট্রেনিং করিয়ে তাদের মধ্য থেকে সিলেক্ট করে স্থায়ীভাবে বিকেএসপিতে ভর্তি করিয়ে দেব। তাদের পড়াশোনা এবং খেলাধুলার সকল দায়-দায়িত্ব সরকার বহন করবে। আমরা তাদেরকে প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড় হিসেবে তৈরি না করা পর্যন্ত ছাড়বো না।' তিনি বিশ্বাস করেন, এসব খেলোয়াড় ভবিষ্যতে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সুনাম উজ্জ্বল করবে।
আমিনুল হক খেলাধুলার সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় গঠনে ভূমিকা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন—খেলাধুলার মাধ্যমে আমরা একটি ঐক্যবদ্ধ, সুস্থ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ জাতি গড়ে তুলতে পারি। এর মাধ্যমে পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রের গুণগত পরিবর্তন নিশ্চিত করা সম্ভব।'
গ্যালারিতে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের সামনে গ্যালারিতে বসে থাকা আগামীর প্রজন্মকে আমরা আহ্বান করি—খেলাধুলার মাধ্যমে যেমন সুস্থ জাতি গড়তে চাই, তেমনি সন্তানদের ডিভাইসের হাত থেকে দূরে রাখতে চাই। সর্বপরি একটি মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই।'
প্রতিমন্ত্রী হুট করে বা রাতারাতি ক্রীড়াঙ্গনে বড় পরিবর্তন সম্ভব নয় উল্লেখ করে বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য আগামী পাঁচ বছর পরে। স্পোর্টসের যে নতুন কার্যক্রম শুরু করেছি, তা রাতারাতি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আমরা জিরো থেকে শুরু করেছি। তবে খেলোয়াড়দের ভেতরে পেশাদারিত্বের মনোভাব, কমিটমেন্ট ও দেশপ্রেম নিশ্চিত করতে পারলে আগামী পাঁচ বছর পর অলিম্পিক, কমনওয়েলথ কিংবা এশিয়ান গেমসে আমরা পদকের জন্য লড়াই করব, ইনশাআল্লাহ।'
অনুষ্ঠানে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ মূলমন্ত্র ধারণ করার জন্য সকল ক্রীড়াবিদ ও আয়োজকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। প্রতিমন্ত্রী বর্তমান সরকার ও মহামান্য রাষ্ট্রপতি খেলোয়াড়দের পরিবার এবং ক্রীড়া সংগঠকদের পাশে রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন