প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আলিয়া এবং আকাঙ্ক্ষার বন্ধুত্বের উষ্ণতায় জমে উঠেছিল প্রাক্বিবাহের আসর। শনিবার অভিনেত্রী শরণ শর্মার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন।
তিনি বড়পর্দার সফল অভিনেত্রী। যদিও তাঁর পেশাগত জীবনে উন্নতি হয়, তবুও পরিবার ও বন্ধুত্বের গুরুত্ব সবসময় তাঁর জীবনে সবার আগে থাকে। এই বিষয়টি আবারও সামনে আসলো। বান্ধবী আকাঙ্ক্ষা রঞ্জন কপূরের প্রাক্বিবাহ অনুষ্ঠানের সময়ে আলিয়া ভট্টকে চুটিয়ে নাচতে দেখা গেল।
প্রথমে নায়িকা এবং আকাঙ্ক্ষা একেবারে একে অপরের পাশে ছিলেন ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন মুহূর্তে। সমাজমাধ্যমে অনেক বার তাঁরা নিজেদের বন্ধুত্বের কথা জানিয়েছেন। তাঁরা সময় পেলেই বিদেশে একসঙ্গে ঘোরেন। এবারের প্রাক্বিবাহ অনুষ্ঠানে সেই বন্ধুত্বের ঝলক আবার দেখা গেছে। বহু প্রতীক্ষিত বিয়ের আগে বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ করা ছিল নায়িকার উদ্দেশ্য। এবং অন্যান্যদের মধ্যে তিনি ছিলেন অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবার নজর কেড়েছে একটি ভিডিও, যেখানে দেখা যায়, শাহরুখ খান অভিনীত ২০০৩ সালের ছবি ‘কাল হো না হো’র জনপ্রিয় গান ‘মাহি ভে’র তালে নাচছেন তিনি। আলিয়ার সঙ্গে ছিলেন আকাঙ্ক্ষার দিদি অনুষ্কা রঞ্জন কপূর এবং অনুষ্কার স্বামী, অভিনেতা আদিত্য শীল। বেগুনি রঙের বেনারসি শাড়ির সঙ্গে বাহারি ব্লাউজ়ে আলিয়া উপস্থিত হয়ে যেমন নজর কেড়েছে, তেমনই বন্ধুর এই বিশেষ দিনে তাঁর উচ্ছ্বাসও অনুরাগীদের মন জিতে নিয়েছে।
বলিউডে এই সম্পর্ক নিয়ে কানাঘুষো বেশ দিন ধরেই চলছিল। শোনা যায়, ২০২২ সাল থেকেই আকাঙ্ক্ষা পরিচালক শরণ শর্মার সঙ্গে সম্পর্কের মধ্যে রয়েছেন। যদিও তাঁরা নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে কখনো প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। অবশেষে সেই সম্পর্কের নতুন পরিণতি আসতে চলেছে। শনিবার, ১১ জুলাই, পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন আকাঙ্ক্ষা ও শরণ।
জানা গেছে, এই যুগল জাঁকজমকপূর্ণ আচার-অনুষ্ঠানের পথে হাঁটতে চান না। সাতপাক বা দীর্ঘ ধর্মীয় রীতিনীতির বদলে তাঁরা বেছে নিয়েছেন আইনি বিয়ে। মুম্বইয়ের রঞ্জন পরিবারের বাড়িতে আইনি বিয়ে সম্পন্ন হবে। পরিবারের সদস্য এবং কাছের মানুষের উপস্থিতিতে যৌথভাবে সই করবেন আকাঙ্ক্ষা ও শরণ। পরের দিন, ১২ জুলাই, আয়োজন করা হয়েছে নৈশভোজের।
ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, এই বিয়ের মূল উদ্দেশ্য আড়ম্বর নয়, বরং প্রিয়জনদের সঙ্গে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ভাগ করে নেয়া। সেই কারণে গোটা অনুষ্ঠানটি ব্যক্তিগত পরিসরে রাখা হয়েছে। আর বন্ধুর জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনায় আলিয়ার উপস্থিতি যেন আবারও প্রমাণ করে দিয়েছে যে, বলিউডের চাকচিক্যের আড়ালেও কিছু সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে আরও গভীর হয়ে ওঠে। আকাঙ্ক্ষার বিয়ের আগে, সেই বন্ধুত্বের রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে মুম্বইয়ের একান্ত ঘরোয়া উদ্যাপন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন