প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান বর্তমানে তার সামরিক নীতিতে 'প্রতিরক্ষামূলক' অবস্থান থেকে ধীরে ধীরে 'আক্রমণাত্মক' অবস্থানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে আল জাজিরা দ্বারা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আজ শনিবার (২২ আগস্ট) আকরামিনিয়া তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, অতীতে ইরানের সামরিক নীতি ছিল প্রতিরক্ষামূলক। কিন্তু সাম্প্রতিক দুই দফা যুদ্ধের অভিজ্ঞতায় এই নীতিতে ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসছে এবং এটি আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেন যে, এর অর্থ হল না যে শত্রুর ওপর হামলা চালানো হবে আগে থেকে। তিনি বলেন, 'এর অর্থ শত্রুর বিরুদ্ধে আগাম অভিযান চালানো নয়। আমরা যেকোনো আগ্রাসনের তাৎক্ষণিক জবাব দেব এবং সেই জবাব আগ্রাসনের চেয়েও বড় পরিসরে হবে।'
ইরানি সেনাবাহিনীর এই মুখপাত্র আরও জানান, আগের সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক ব্যবস্থাগুলো এখন মেরামত করা হয়েছে এবং নতুন কিছু সামরিক ব্যবস্থা বাহিনীতে যুক্ত করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, 'শত্রু যদি আবার কোনো ভুল হিসাব করে, তাহলে আগের চেয়েও ভয়াবহ জবাব দিতে পারি, তা নিশ্চিত করতে আমরা অবিরত কাজ করছি।'
আকরামিনিয়া সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের সামরিক কমান্ড কাঠামোয় যে পরিবর্তন আনা হয়েছে, তার লক্ষ্য হলো যেকোনো হামলার জবাব দেওয়ার প্রক্রিয়ার গতি বৃদ্ধি করা। তিনি বলেন, 'আমরা যুদ্ধবিরতি ও নীরবতার অবস্থায় প্রবেশ করার পর থেকে একটি মুহূর্তও নষ্ট না করার চেষ্টা করছি। কারণ আমরা শত্রুর ওপর মোটেও আস্থা রাখি না।'
হরমুজ প্রণালি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র বলেন, যুদ্ধের পর নিজেদের পররাষ্ট্রনীতির লক্ষ্য এগিয়ে নিতে এই কৌশলগত জলপথ 'নির্ণায়ক ভূরাজনৈতিক প্রভাব' অর্জন করেছে। এ ছাড়া সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমে আসার একটি ইঙ্গিত হিসেবেও তিনি উল্লেখ করেন আকরামিনিয়া।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন