প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করলেও ধর্মচর্চার সঙ্গে শাবানা আজমির সম্পর্ক খুব বেশি ঘনিষ্ঠ নয়। বর্ষীয়ান বলিউড অভিনেত্রী শাবানা আজমি তার স্বামী গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতারের সঙ্গে ধর্মীয় বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মতবিরোধের কথা প্রকাশ্যে জানিয়েছেন।
সম্প্রতি আইআইএমইউএন-এর ইউটিউব চ্যানেলে অনুষ্ঠিত এক আলাপচারিতায় শাবানা উল্লেখ করেন, তার বাবা, প্রখ্যাত কবি ও গীতিকার কাইফি আজমি ছিলেন নাস্তিক। তার মা শওকত কাইফি ধর্ম পালন করতেন, তবে এ বিষয়ে তিনি খুব কঠোর ছিলেন না। এই পারিবারিক পরিবেশ শাবানার ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে বিশেষ প্রভাব ফেলেছে।
শাবানা আরও বলেন, তিনি দৈনন্দিন কথাবার্তায় ‘মাশাআল্লাহ’ এবং ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দগুলো ব্যবহার করেন। কিন্তু এই শব্দগুলো ব্যবহার নিয়ে তার স্বামী জাভেদ আখতার প্রায়ই প্রশ্ন তোলেন। জাভেদের যুক্তি হলো, ব্যক্তির নিজের সিদ্ধান্তে নেয়া কাজের ক্ষেত্রে ‘আল্লাহর ইচ্ছা’ বলাটা অপ্রাসঙ্গিক।
শাবানার স্বামীও নাস্তিকতায় বিশ্বাসী। গীতিকার জাভেদ আখতার মনে করেন, সমাজে ধর্মের চেয়ে মানব ধর্মই অধিক গুরুত্বপূর্ণ। তবে শাবানার দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে তার স্বামীর কিছু অমিল রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে শাবানা বলেন,
শাবানা বলেন, এসব শব্দ ভাষা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অংশ। তিনি মনে করেন, যদি কেউ ধর্ম পালন করে মানসিক শান্তি পায়, তবে তাকে সেই স্বাধীনতা দেয়া উচিত। অকারণে কারও বিশ্বাসে আঘাত করার প্রয়োজন নেই।
নিজের পরিচয় স্পষ্ট করে শাবানা জানান, তিনি মুসলিম। ঈদ, উর্দু ভাষা এবং মুসলিম খাবারের প্রতি তার ভালো লাগা রয়েছে। তবে তিনি নামাজ পড়েন না এবং ধর্মচর্চার সঙ্গেও তার সম্পর্ক খুব বেশি ঘনিষ্ঠ নয়।
ধর্ম ও ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রসঙ্গে শাবানা বলেন, ধর্ম ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয়। ধর্মীয় বিষয়ে রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ কাম্য নয় এবং অন্যের বিশ্বাসে অকারণে আঘাত করা অনুচিত।
শাবানা আজমির ধর্মীয় বিশ্বাস ও ব্যক্তিস্বাধীনতা নিয়ে এ বক্তব্য বর্তমানে নেটদুনিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন