প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিলেটে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে কিশোর মো. রিফাত আহমদ (১৫) হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত এক আসামিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯।
গ্রেপ্তার জুয়েল আহমেদ (১৮) সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার হাদারপাড়া গ্রামের জিয়াউর রহমানের ছেলে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাত ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে নবীনগর উপজেলার লাউর ফতেপুর ইউনিয়নের আহম্মদপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শনিবার (২২ আগস্ট) র্যাব-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
র্যাব জানায়, গত ২১ জুলাই সিলেট নগরের দক্ষিণ সুরমা থানার আওতাধীন এরিনা ফুটসাল ইনডোর মাঠে ফুটবল খেলার সময় ফাউল করা নিয়ে দুই পক্ষের খেলোয়াড়দের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়।
একপর্যায়ে রিফাত ও তার সতীর্থরা মাঠ থেকে বের হয়ে যেতে চাইলে প্রতিপক্ষের কয়েকজন তাদের বাধা দেন এবং হুমকি দেন।
বিষয়টি পরে রিফাত তার বন্ধুদের ফোনে জানান।
ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কাজীরবাজার এলাকার শেখঘাট ব্রিজে পৌঁছানোর পর আগে থেকেই সেখানে অবস্থান নেওয়া কয়েকজন যুবক রিফাতের ওপর হামলা চালায়।
এসময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়।
রিফাতকে বাঁচাতে তার বন্ধু সাব্বির আহমদ, আব্দুস সামি ও রবিউল এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা তাদেরও মারধর ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে।
পরে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন রিফাতসহ অন্যদের উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
সেখানে চিকিৎসক রিফাতকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত রিফাত চৌকিদেখী এলাকার দ্বীপশিখা উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
এ ঘটনায় রিফাতের মা বাদী হয়ে সিলেট মহানগরের কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলার তদন্তে গোয়েন্দা তৎপরতা চালানোর একপর্যায়ে জুয়েল আহমেদের অবস্থান শনাক্ত করে র্যাব-৯।
পরে নবীনগরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৯ জানায়, গ্রেপ্তার জুয়েল আহমেদকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন