প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন চিকিৎসার অভাবে মানুষের প্রাণহানি রোধের উদ্দেশ্যে দরিদ্র জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য বিদ্যমান সব সুযোগ-সুবিধা ব্যবহারের নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৫০ শয্যার হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, "আমরা চাই না চিকিৎসার অভাবে কোনো মানুষ মারা যাক।" তিনি আরও বলেন, বর্তমানে যে সুযোগ-সুবিধা রয়েছে, তা ব্যবহার করে দরিদ্র মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে। গজারিয়ার ৫০ শয্যার হাসপাতালকে দ্রুত ১০১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি, যাতে সাধারণ রোগীদের সেবার মান বৃদ্ধি পায়।
পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী হাসপাতালের বহির্বিভাগ, অন্তর্বিভাগ ও বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন। তিনি চিকিৎসাসেবার মান, চিকিৎসক সংকট, রোগীদের খাবারের মান এবং ওষুধের মেয়াদসহ বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণ করেন।
সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত ল্যাবরেটরি সুবিধা থাকা সত্ত্বেও রোগীদের বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানোর অভিযোগের বিষয়ে তিনি খোঁজ নেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও কর্মচারীদের সতর্ক করেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।
এছাড়া, সরকারি হাসপাতালের আশপাশে নতুন কোনো বেসরকারি ক্লিনিকের অনুমোদন না দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, বিদ্যমান ক্লিনিকগুলো নিয়ম না মানলে সেগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাপের কামড়ের চিকিৎসা সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, উপজেলা পর্যায়ে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে। তবে সাপে দংশনের পর রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
পরিদর্শনের সময় মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফসা নাদিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন আহমেদ তিথি এবং হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন