প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচার চক্রের বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর অভিযানের সময় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে সেনাবাহিনীর একজন সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। অভিযানের ফলে মানবপাচার চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং পাহাড়ি এলাকায় আটকে থাকা ৫৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা নুরালীপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ ব্লকসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, অভিযানের অংশ হিসেবে মোচনী ক্যাম্প এলাকাতেও অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আহত সেনাসদস্যের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তাকে সামরিক অ্যাম্বুলেন্সে করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) তথ্য অনুযায়ী, সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশের সমন্বয়ে এ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় মানবপাচার চক্রের সদস্যদের সঙ্গে গোলাগুলি হয়। এ সময় চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ৫৭ জনকে উদ্ধার করা হয়।
১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. কাওসার সিকদার জানিয়েছেন, জেলা পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে পাহাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। গোলাগুলির ঘটনায় সেনাবাহিনীর একজন সদস্য আহত হন। অভিযানের সময় অস্ত্র উদ্ধার এবং কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, টেকনাফের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে দুই শতাধিক মানুষকে আটকে রেখেছে পাহাড়ি সন্ত্রাসী ও মানবপাচার চক্রের সদস্যরা। তাদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালালে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় কয়েকজন আহত হন বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী টেকনাফের লেদার পাহাড়ি এলাকায় গোলাগুলির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন