প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে জেলার থানচি উপজেলার দুর্গম থুইসা খিয়াংপাড়ায় আট দিনেরও বেশি সময় ধরে আটকে থাকা চারজন পর্যটক এবং একজন স্থানীয় গাইডকে উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
আজ শনিবার সকালে বিজিবি’র বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের (৩৮ বিজিবি) একটি টহল দল দুর্গম পাহাড়ি পথ পায়ে হেঁটে গিয়ে পর্যটকদের উদ্ধার করে এবং প্রথমে তাদেরকে নিয়াপিউ ম্রোপাড়া বিজিবি ক্যাম্পে নিয়ে আসেন। পরে, উপজেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় একটি জিপে করে তাদের নিরাপদে থানচি সদরে পাঠানো হয়।
থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-ফয়সাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, চারজন পর্যটক ও একজন স্থানীয় গাইড গত ৪ জুলাই আমিয়াখুম ও বেলাখুম ভ্রমণে গিয়ে টানা বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে থানচি উপজেলার তিন্দু ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের থুইসা খিয়াংপাড়ায় আটকা পড়েন। ওই সময় গ্রামবাসীর একজন মানবিক কারণে তাদের থাকার এবং খাওয়ার ব্যবস্থা করেন।
স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে বিজিবি’র বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের (৩৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ইয়াসির আরাফাত হোসেনের নির্দেশনায় জিন্নাপাড়া বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা শুক্রবার বিকেলে দুর্গম পাহাড়ি পথ পায়ে হেঁটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পর্যটকদের উপলব্ধি করেন এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। আজ শনিবার সকালে বিজিবি সদস্যরা পর্যটকদের উদ্ধার করে প্রথমে নিয়াপিউ ম্রোপাড়া বিজিবি ক্যাম্পে নিয়ে যান এবং পরে উপজেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় একটি জিপে করে থানচি সদরে পাঠানো হয়।
বিজিবি’র বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের (৩৮ বিজিবি) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ইয়াসির আরাফাত হোসেন বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল, বন্যা এবং ভূমিধসসহ বিভিন্ন জরুরি পরিস্থিতিতে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা, নিরাপদ আশ্রয়, খাদ্য ও মানবিক সহায়তা প্রদান এবং সাধারণ জনগণ ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে ভবিষ্যতে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন