প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নে মাদক কারবারি মিরাজুল ইসলামের বাসায় একটি মাদকের আসর চলছিল। ওই আসরে উপস্থিত ছিলেন এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন, মাদক কারবারি নাহিদ হাসান (২৬) এবং ফাতেমা আক্তার নুরতাজ (৩০)।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা ওই বাসভবনটি ঘেরাও করেন। আত্মসমর্পণের জন্য তাদের আহ্বান জানানো হলেও, পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা কাদার মধ্যে পড়ে যান। পরে তাকে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ডিএনসির পরিদর্শক জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম বৃহস্পতিবার ভোরে পাচগাঁও গ্রামে মিরাজের বাসা ঘিরে রাখে এবং ভেতরে থাকা সবাইকে আত্মসমর্পণের জন্য আহ্বান করে। কিন্তু তারা পালানোর চেষ্টা করেন। পুলিশ কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বাসার টিন ভেঙে লাফিয়ে কাদা মাটিতে পড়ে যান। তখন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মীরা তাকে ধরতে গেলে উভয়ের মধ্যে ধস্তাধস্তি ঘটে। এক পর্যায়ে তাকেসহ চারজনকে আটক করা হয়।
আটক চারজনের মধ্যে এএসআই দেলোয়ার হোসেনকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং বাকি তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক খোরশেদ আলম জানান, বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি এসেছিলেন এবং আটক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে তার জিম্মায় নিয়ে গেছেন। বাকি তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
এয়ারপোর্ট থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, সহকারী উপ-পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন