প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো পুনর্গঠন এবং বাহ্যিক হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান জানিয়ে মিসর সফরে গিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এটি চার বছরের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে তার প্রথম সফর। ওয়াশিংটন ও ইরানের মধ্যে চলমান সামরিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রভাবের অনিশ্চয়তার মধ্যে বেইজিং এ অঞ্চলে নিজেদের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থানকে দৃঢ় করতে চায়।
বুধবার কায়রোতে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন চীনা প্রেসিডেন্ট। বিমানবন্দরে শি জিনপিংকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও সামরিক কুচকাওয়াজের মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়।
চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, বৈঠকে শি অঞ্চলের দেশগুলোকে নিজেদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সাথে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে একটি নতুন ‘নিরাপত্তা স্থাপত্য’ গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন। সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে সুয়েজ খাল, বাব আল-মানদেব প্রণালি এবং হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার প্রেক্ষিতে, সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বেইজিং।
বার্ষিক প্রায় ১৩০ কোটি ডলারের মার্কিন সামরিক সহায়তা পাওয়া মিসর ঐতিহ্যগতভাবে ওয়াশিংটনের অন্যতম প্রধান প্রতিরক্ষাসঙ্গী হিসেবে পরিচিত। তবে সম্প্রতি কায়রো চীনের সঙ্গে সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ক্রমশ বৃদ্ধি করছে। বৈশ্বিক রাজনৈতিক শক্তির লড়াইয়ের মধ্যে মিসর একটি কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখার নীতি গ্রহণ করেছে বলে সফরসূচির আগে প্রেসিডেন্ট সিসি জানিয়েছেন। সাবেক মিসরীয় কূটনীতিকদের মতে, কায়রো চায় বিশ্বের অন্যান্য প্রধান শক্তিগুলোর সঙ্গে নিজেদের সম্পর্কের পরিধি বৃদ্ধি করতে, যা চীনের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
সূত্র: রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন