প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুষ্টিয়া সুগার মিল পুনরায় চালু করার, আধুনিকায়ন ও বহুমুখীকরণের মাধ্যমে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের দাবি জানানো হয়েছে আখচাষি, শ্রমিক-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে। শনিবার দুপুরে আখচাষী ও চিনিকল শ্রমিকরা মিলের গেটে এক সমাবেশে এই দাবি তুলে ধরেন।
সমাবেশে আখচাষীরা ‘আখচাষী বাঁচাও, মিল বাঁচাও’ স্লোগান দেন। তারা ২০২০ সালে স্থগিত হওয়া কুষ্টিয়া সুগার মিল দ্রুত পুনরায় চালু করার দাবি জানান, যা আখচাষীদের জীবিকা ও স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল করবে।
চাষী ও শ্রমিকদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে মিলটি বন্ধ থাকায় জেলার কৃষি ও স্থানীয় অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাদের বক্তব্য, কুষ্টিয়া সুগার মিল একসময় হাজারো আখচাষি, শ্রমিক-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের জীবিকার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল। ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে মিলটি কুষ্টিয়া ও আশপাশের এলাকার আখচাষিদের কাছ থেকে আখ সংগ্রহ করে চিনি উৎপাদন করে আসছিল। তবে লোকসানসহ বিভিন্ন কারণে ২০২০-২১ মাড়াই মৌসুমে মিলটির কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়।
আখচাষি আব্দুল আলী অভিযোগ করেন, মিল বন্ধ থাকায় আখ বিক্রির নিশ্চয়তা কমে গেছে। এর ফলে অনেকেই আখ চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন। এই পরিস্থিতির প্রভাব কৃষক, পরিবহন, শ্রমিক ও স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে পড়ছে এবং সমাজে বেকারত্ব বাড়ছে।
সমাবেশে স্থানীয় বিএনপি নেতারা একাত্মতা ঘোষণা করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী বলেন, "কুষ্টিয়া সুগার মিলের সঙ্গে এ অঞ্চলের হাজারো আখচাষী ও শ্রমজীবী মানুষের জীবন-জীবিকা জড়িত। দীর্ঘদিন মিলটি বন্ধ থাকায় আখচাষীরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাই আখচাষী ও সংশ্লিষ্টদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে মিলটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।" তিনি আরও বলেন, "শুধু পুরোনো পদ্ধতিতে মিল চালু করলেই হবে না। আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন, উৎপাদন বহুমুখীকরণ এবং সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে লাভজনক করার উদ্যোগ নিতে হবে। এতে স্থানীয় অর্থনীতিতেও অর্থের প্রবাহ বাড়বে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন