প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী ও নিয়মের একটি ত্রুটি তুলে ধরেন। তিনি পয়েন্ট অব অর্ডারে বিষয়টি উল্লেখ করলে, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাকে ধন্যবাদ জানান।এটি মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ঘটে।সংসদে কার্যপ্রণালী বিধি নিয়ে প্রশ্ন তোলার সময় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, “আমার কথাটা হচ্ছে, কোথাও আপনার ভুল হলো কি না? একটু আগে আমি শুনতে পেলাম, যখন ব্যারিস্টার আরমান কথা বললেন, তারপরে আপনি বললেন, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুমতিক্রমে বা অনুমতি নিয়ে উনাকে বক্তব্য দিতে দেওয়া হয়েছে। এই ‘অনুমতিক্রমে’ কথাটা কি কোনো ভুল হলো কি না? কারণ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুমতির তো প্রয়োজন নেই। এখানে তো স্পিকার বা আপনার এখতিয়ার আছেই সরাসরি তাকে কথা বলতে দেওয়ার বা যেকোনো কাউকে কথা বলতে দেওয়ার।”বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের এই সংশোধনমূলক বক্তব্যকে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাৎক্ষণিকভাবে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, “অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ। বেসিক্যালি আমার যে কাস্টম, মাননীয় মন্ত্রীর পরে নরমালি অন্য সদস্যদের ফ্লোর দেওয়া হয় না। তারপরেও আমি এটা বলেছি যে আপনার অনুমতি সাপেক্ষে—ইন দ্য সেন্স, মন্ত্রীর পরে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অন্য কেউ সাধারণত বক্তব্য দিতে পারেন না। আরমান সাহেবকে অ্যালাউ করা হয়েছে এই অর্থে যে, তিনিও একজন ভিকটিম ছিলেন।”ডেপুটি স্পিকার ভুল স্বীকার করে বলেন, “ওইটা অনুমতি না হয়ে এখানে অবগতি বা কনসেন্ট—এটা হলে ভালো হতো, এপ্রোপ্রিয়েট হতো। থ্যাংক ইউ ফর কারেক্টিং মি।” সংসদীয় কার্যক্রমে এই পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সংশোধন ও বোঝাপড়ার বিষয়টি সে সময় অধিবেশনে উপস্থিত সংসদ সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন