প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ ৩৪ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এ তথ্য প্রকাশ করেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবর মাসের জন্য আকুর বিল পরিশোধের পর ১ হাজার ৬৪২ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন বা ১ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। এর ফলে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ৩৪ হাজার ৮৫৫ দশমিক ৮১ মিলিয়ন বা ৩৪ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, রিজার্ভের পরিমাণ ২৯ হাজার ৯৮৫ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন বা ২৯ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
গত ৪ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৬ হাজার ৩৮৩ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন বা ৩৬.৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১ হাজার ৫১৫ দশমিক ৮৭ মিলিয়ন বা ৩১.৫১ বিলিয়ন ডলার।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ নির্ধারিত হয়।
আকু কী?
আকু হলো এশিয়ার কয়েকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যে একটি আন্তঃআঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তিব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৯টি দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম দুই মাস পরপর নিষ্পত্তি করা হয়। অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি-রফতানিসংক্রান্ত লেনদেন আকুর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন হয়। আমদানি বিল পরিশোধের ফলে রিজার্ভ সাময়িকভাবে কিছুটা হ্রাস পায়।
জাতিসংঘের এশিয়া অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইএসক্যাপ) উদ্যোগে ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর আকু প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দফতর ইরানের তেহরানে অবস্থিত। আকুর সদস্যদেশগুলো হলো-বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান ও মালদ্বীপ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন