প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এই গ্রীষ্মে ইউরোপের অধিকাংশ অঞ্চলে কোনো না কোনো সময় ‘অত্যন্ত তীব্র’ তাপজনিত চাপ (হিট স্ট্রেস) দেখা গেছে, যা ৫২ শতাংশ এলাকায় প্রভাব ফেলেছে। এর ফলে রেকর্ডসংখ্যক মানুষ অতিরিক্ত গরমের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন। শুক্রবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোপার্নিকাস জলবায়ু পরিবর্তন পরিষেবা এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, কোপার্নিকাসের তথ্য অনুসারে, ইউরোপের ৫২ শতাংশ এলাকায় এ গ্রীষ্মে ‘অত্যন্ত তীব্র’ তাপজনিত চাপের ঘটনা ঘটেছে। এটি রেকর্ড রাখার শুরু থেকে সর্বোচ্চ হার। যখন তাপমাত্রা এবং বাতাসের আর্দ্রতা অত্যধিক বেড়ে যায়, তখন শরীর ঘামের মাধ্যমে নিজেকে ঠাণ্ডা রাখতে অক্ষম হয়। এই পরিস্থিতিতে তাপজনিত চাপের সৃষ্টি হয়, যা হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি, বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরা এবং হিট স্ট্রোকের মতো জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে। হিট স্ট্রোক গুরুতর অবস্থায় জীবনহানির কারণ হতে পারে।
কোপার্নিকাসের মতে, ‘অত্যন্ত তীব্র’ তাপজনিত চাপের সংজ্ঞা হলো, যখন মানুষের অনুভূত তাপমাত্রা অন্তত ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের সমান হয়। এ গ্রীষ্মে পশ্চিম ইউরোপে রেকর্ড রাখার শুরু থেকে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। ওই অঞ্চলে ১৩ দিন ধরে ‘অত্যন্ত তীব্র’ তাপজনিত চাপের ঘটনা ঘটেছে। অতিরিক্ত গরমের কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন বাইরে কাজ করা শ্রমিক, বয়স্ক নাগরিক এবং হৃদ্রোগ ও ডায়াবেটিসের মতো রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা।
কোপার্নিকাস আরও জানিয়েছে, এ গ্রীষ্মে ইউরোপের নদীগুলোতে গত ৩০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম পানি প্রবাহিত হয়েছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুসারে, মানুষের কর্মকাণ্ডের ফলে জলবায়ু পরিবর্তন ঘটছে। এই কারণে ইউরোপ বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত উষ্ণ হয়ে ওঠা মহাদেশ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন