প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জীবিকার তাগিদে নেমেছিলেন মানুষ মাটির গভীরে, সামর্থ্য খুঁজে। কিন্তু স্বর্ণের খনিটি হঠাৎ করেই পরিণত হলো অকাল মৃত্যুকূপে। মধ্য আফ্রিকার দেশ মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে একটি সোনার খনিতে ভয়াবহ ধসের কারণে অন্তত ১০০ শ্রমিকের প্রাণহানি ঘটেছে।
গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ক্যামেরুন সীমান্তবর্তী জাম্বোয়ে এলাকার খনিতে এটি ঘটে। সেখানে ভূগর্ভস্থ একাধিক সুড়ঙ্গ ধসে পড়ার ফলে চাপা পড়েন বহু শ্রমিক।
ধসে পড়া ভবন ও ধ্বংসস্তূপ থেকে ইতোমধ্যে শতাধিক মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে এ তথ্য জানিয়েছেন ত্রাণ কার্যক্রমে যুক্ত রেড ক্রসের স্বেচ্ছাসেবক জার্ভাইস গানাগোরোহ।
স্থানীয় একটি খনি সমিতির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, দুর্ঘটনায় ১০০ জনেরও বেশি প্রাণহানির খবর নিশ্চিত হয়। একাধিক স্থানীয় সূত্র আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপিকেও এ ঘটনার সত্যতা জানায়।
দেশটির বাবুয়া শহরের সরকারি কৌঁসুলির মতে, শ্রমিকরা যে কয়েকটি ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গে কাজ করছিলেন, সেগুলো ধসে পড়ার কারণে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে। তাদের ওপর থেকে মাটির ঢিবি ধসে পড়ায় অনেকে চাপা পড়েন।
বাবুয়া শহরের সরকারি কৌঁসুলির বরাতে আরো জানা যায়, খনি শ্রমিকরা যখন কাজ করছিলেন ঠিক তখনই ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গগুলো ধসে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, এক বিশাল ঢিবি হঠাৎ নিচে দাঁড়িয়ে থাকা শ্রমিকদের ওপর পড়ে যায়। দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চলছে, যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকাজ চলায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বুধবার বাবুয়া শহরের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি লরেন্ট এনগন বাবা বার্তাসংস্থাকে এএফপির কাছে বলেন, ‘উদ্ধারকাজের কারণে আনুষ্ঠানিকভাবে সুনির্দিষ্ট মৃতের সংখ্যা জানা কঠিন হচ্ছে।’
এদিকে সীমান্তবর্তী এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটায় প্রতিবেশী ক্যামেরুনও তাদের সহায়তা বাড়িয়েছে। ক্যামেরুনের পূর্বাঞ্চলীয় গভর্নর গ্রেগোয়ার মভোঙ্গো জানিয়েছেন, তারা মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং উদ্ধারকাজ জোরদারে সহযোগিতা করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন