প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফিলিপাইন চীনের রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যকে শক্তি প্রয়োগের ‘পরোক্ষ হুমকি’ হিসেবে চিহ্নিত করে প্রতিবাদ জানিয়েছে। ম্যানিলা জানায়, বেইজিংয়ের দূতের মন্তব্যের পর, দুই দেশের মধ্যে সংঘাত হলে চীন সহজেই জয়ী হতে পারে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফিলিপাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাংবাদিকদের কাছে চীনা রাষ্ট্রদূত জিং কোয়ানের দেওয়া বক্তব্যকে ‘শব্দচয়নের ক্ষেত্রে ভুল’ হিসেবে উল্লেখ করে। মন্ত্রণালয়ের মতে, জটিল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এ ধরনের মন্তব্য কোনোভাবেই সহায়ক নয়।
জিং কোয়ান পূর্বে বলেছিলেন, সংঘাত হলে চীন ‘সহজেই জিততে পারে’, তবে তারা শক্তি প্রয়োগ করবে না, কারণ ‘আমরা শান্তি ভালোবাসি’। ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী গিলবার্তো সি. তেওদোরো জুনিয়র চীনকে আঞ্চলিক ‘সমস্যা সৃষ্টিকারী’ হিসেবে উল্লেখ করার পর রাষ্ট্রদূত এ মন্তব্য করেন।
এদিকে, শুক্রবার চীনা রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র মন্তব্য করেন যে, এটি অনেকটাই ‘হুমকির মতো’ শোনাচ্ছে। রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করার প্রয়োজন রয়েছে।
তবে চীনা দূতাবাস দাবি করেছে, রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য থেকে কিছু অংশ বেছে বেছে উদ্ধৃত করা হয়েছে। তারা ফিলিপাইনের প্রতিক্রিয়াকে ‘অতিরঞ্জিত ব্যাখ্যা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে, দুই দেশের সম্পর্ক বর্তমানে ‘অত্যন্ত সংবেদনশীল পর্যায়ে’ রয়েছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ফিলিপাইনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও জোরদারের বিষয়ে বেইজিংয়ের অবস্থান স্পষ্ট। তারা আশা প্রকাশ করেছে যে, ম্যানিলা যেন এ অবস্থান ‘সঠিকভাবে ও পূর্ণাঙ্গভাবে’ বোঝে।
প্রসঙ্গত, দক্ষিণ চীন সাগরের কিছু দ্বীপ ও প্রবালপ্রাচীরের মালিকানা নিয়ে চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। বিরোধপূর্ণ এসব এলাকার কিছু অংশ ফিলিপাইনের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে পড়েছে। এ নিয়ে দুই দেশের কোস্টগার্ডের মধ্যে বারবার মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা ঘটেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন