প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্পেনের সিনেটের প্রেসিডেন্ট পেড্র রোলান ওজেডার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাসুদুর রহমান।
বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানায় স্পেনের বাংলাদেশ দূতাবাস।
সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও স্পেনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে রাষ্ট্রদূত মাসুদুর রহমান দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বাংলাদেশ ও স্পেনের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি খুবই প্রয়োজন।
তিনি একটি দ্বিপক্ষীয় পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠনের আহ্বান জানান, যা দুই দেশে বাণিজ্য সম্প্রসারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও স্পেনের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের দিকে উন্নীত করার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ লক্ষ্য অর্জনে প্রযুক্তি স্থানান্তর, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাতের উচ্চমূল্য সংযোজন, দক্ষতা উন্নয়ন, জনশক্তি বিনিময় এবং নিরাপদ অভিবাসন নিয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব প্রদান করেন তিনি।
স্পেনের সিনেট প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের প্রশংসা করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশটির বড় বড় কোম্পানিগুলি বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পণ্য আমদানি করছে। তিনি বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের নেতৃত্বে গত কয়েক দশকের অর্থনৈতিক অগ্রগতিরও প্রশংসা করেন।
বৈঠকে স্পেনে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের অবদানের বিষয়েও আলোচনা হয়। সিনেট প্রেসিডেন্ট স্পেনে কর্মরত বাংলাদেশিদের কঠোর পরিশ্রমের প্রশংসা করে তাদের “বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত” হিসেবে অভিহিত করেন।
রাষ্ট্রদূত মাসুদুর রহমান স্পেনের সিনেট প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। পাশাপাশি, দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং সংসদীয় বিনিময় বৃদ্ধি করার আহ্বান জানান।
স্পেনের সংসদ সদস্যদের বাংলাদেশে ব্যবসা, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি স্পেনের নতুন নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়ায় থাকা বাংলাদেশি আবেদনকারীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপরও গুরুত্ব দেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, পর্যটন, আতিথেয়তা, কৃষি, আবাসন, নৌপরিবহন, সামুদ্রিক খাত এবং গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা খাতে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মীরা স্পেনের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
বৈঠক শেষে দুই দেশের রাজনৈতিক পর্যায়ে সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন