প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: ফ্রান্সের ডানপন্থী রাজনীতিক এরিক জেমুর শুক্রবার তার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বেকার বিদেশিদের, যারা বৈধভাবে বসবাস করছেন, তাদের দেশ থেকে বের করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
রিকনকোয়েস্ট পার্টির নেতা জেমুর ২০২২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চতুর্থ স্থানে ছিলেন। তিনি বিএফএমটিভিকে বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হব।’
প্যারিস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য জানায়।
আগামী বছরের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ডানপন্থী প্রার্থী মেরিন লি পেন সবচেয়ে বড় সুযোগ দেখছেন। এরই মধ্যে জেমুর নির্বাচনী দৌড়ে যোগ দিয়েছেন। দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হওয়ায় লি পেনের সরকারি পদে থাকার ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল। তবে জুলাইয়ে আদালত সেই নিষেধাজ্ঞা কমিয়ে দেয়।
অভিবাসন বিরোধী ন্যাশনাল র্যালি পার্টির এই অভিজ্ঞ রাজনীতিক গত দুই নির্বাচনে মাখোঁর কাছে রানারআপ হন। বিভিন্ন জনমত জরিপে আগামী নির্বাচনের প্রথম দফায় তাকে এগিয়ে রাখা হয়েছে।
জেমুর অভিবাসন বন্ধের পাশাপাশি বিদেশিদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর নীতি সমর্থন করেন। তিনি বলেন, ‘সব বিদেশি অপরাধীকে দেশে ফেরত পাঠাতে হবে। তারা কারাগারে না থাকলেও।’
তিনি আরও বলেন, ‘অবশ্যই অনিবন্ধিত অভিবাসীদেরও ফেরত পাঠাতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে যারা বেকার, তাদেরও ফেরত পাঠাতে হবে। যারা পুরোপুরি সরকারি কল্যাণ ভাতার ওপর নির্ভরশীল, তাদেরও ফেরত পাঠাতে হবে।’
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোর জনমত জরিপেও আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফায় লি পেনকে এগিয়ে দেখানো হয়েছে।
এ সপ্তাহের শেষে প্রকাশিত একটি জরিপে বলা হয়েছে, মধ্যপন্থী সাবেক প্রধানমন্ত্রী এদুয়ার ফিলিপ লি পেনের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় যেতে পারেন। তবে এর জন্য তার মধ্যপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বী গ্যাব্রিয়েল আত্তালকে সরে দাঁড়াতে হবে।
অন্যথায় কট্টর বামপন্থী নেতা জ্যাঁ-লুক মেলঁশঁ প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন লি পেন। ১৩ হাজার ভোটারের ওপর চালানো জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন