প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরাইল উপজেলায় জাল দলিলের মাধ্যমে জমি বিক্রি ও দখলের অভিযোগ তুলে বিচার দাবি করেছেন প্রকৃত মালিকেরা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিশ্বরোড এলাকার কুট্টাপাড়ায় অবস্থিত একটি মূল্যবান জমি নিয়ে এ অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। এই দাবির পক্ষে প্রশাসন ও আদালতে বিভিন্ন সময়ে আবেদন জানালেও তারা এখনো ন্যায় পায়নি। শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে ভৈরব উপজেলা সাংবাদিক অ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা বলেন, জমিটি সরাইল মৌজার সি.এস. ৩২২৭, এস.এ. ৩৬৩৮ এবং বি.এস. খতিয়ানভুক্ত ৪০ দশমিক ৫০ শতক জমি তাদের পৈতৃক সম্পত্তি। ভোগদখলের পর জরিপের সময় বেআইনিভাবে খতিয়ান প্রস্তুত করা হয় এবং পরে তার ভিত্তিতে জাল দলিল তৈরি করে জমিটি বিক্রি করা হয়েছে বলে তাদের অভিযোগ। তারা জানান, আব্দুল আলী নামে এক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা জাল দলিলের মাধ্যমে কুট্টাপাড়ায় অবস্থিত সোপান ফিলিং স্টেশনের মালিকের কাছে জমিটি বিক্রি করেন। তারা দাবি করেছেন, ফিলিং স্টেশনটি ওই বিতর্কিত জমির ওপর নির্মিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, বিভিন্ন সময়ে প্রশাসন ও আদালতে আবেদন করেও কোনো সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। তাদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জালিয়াতির সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে এবং জমিটি প্রকৃত মালিকদের ফেরত দিতে হবে। আদালতে দায়ের করা ঘোষণামূলক মামলায় বাদীপক্ষ দাবী করে যে, নালিশি জমির প্রকৃত মালিক তারা। মামলায় উল্লেখ রয়েছে, খতিয়ানের ভিত্তিতে সম্পাদিত বণ্টননামা ও সাফ কবলা দলিলের মাধ্যমে তারা মালিকানা দাবি করছেন। এ ছাড়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধিগ্রহণকৃত ৩ দশমিক ৫০ শতক জমির ক্ষতিপূরণের অর্থযা প্রকৃত মালিক না হয়েও অন্যরা গ্রহণ করেছেন বলেও অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। মামলায় নালিশি জমির মালিকানা ঘোষণা, অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণের অর্থ পাওয়ার অধিকার নিশ্চিতকরণ, বিতর্কিত খতিয়ান ও দলিলসমূহকে অবৈধ ঘোষণা এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রতিকার চাওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন