প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০০৬ বিশ্বকাপের প্রসঙ্গ এলেই যে দৃশ্যটি সবার চোখের সামনে ভাসে, সেটি হলো জিনেদিন জিদানের ‘ঢুস’। বার্লিনের ফাইনালের অতিরিক্ত সময়ে ইতালির ডিফেন্ডার মার্কো মাতেরাজ্জির কথায় উত্তেজিত হয়ে ফ্রান্সের কিংবদন্তি জিদান ‘ঢুস’ মারেন।
শাস্তি হিসেবে লাল কার্ড দেখে মাথা নিচু করে মাঠ থেকে বের হওয়ার সময় জিদানের পাশে ছিল বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফিটি। অনেকের বিশ্বাস, ওইদিন যদি জিদান এমনটি না করতেন, তাহলে ফ্রান্স চ্যাম্পিয়নও হতে পারতো। আজ রাতে আবার ইতালির মুখোমুখি হচ্ছেন ফ্রান্সের এই কিংবদন্তি, তবে এবার তিনি খেলোয়াড় হিসেবে নন, কোচ হিসেবে।
ইতালির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে সেই ‘ঢুস’ কাণ্ড আবার সামনে এসেছে। ২০ বছর আগের ওই ঘটনার জন্য জিদানের মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই। ম্যাচের পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে ৫৪ বছর বয়সী কোচ বলেছেন, "ছবিগুলো সব সময় সেই ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়, সেগুলো বারবার দেখানো হয়। সৌভাগ্যবশত আমার ক্যারিয়ারে শুধু এটাই ঘটেনি, কিছু সুন্দর মুহূর্তের স্মৃতিও রয়েছে। তবে এগুলো অনুশোচনা নয়, আমার ক্যারিয়ারের অংশ। যা ঘটেছে, সে জন্য গর্বিত নই। তবে সব সময় শুধু ভালো কাজ করতে পারবেন না আপনি। সবার জীবনে কিছু সময় আসে, যখন এমন কিছু করে ফেলি, কিন্তু সেরা কাজ নয়। এখন সামনের দিনগুলোয় কী আছে, সেটাই আসল কথা।"
জিদান জানান, ওই ঘটনার পর কখনো মাতেরাজ্জির সঙ্গে কথা হয়নি। ১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার বলেন, "না। একদমই না।"
সেই ফাইনাল ছিল ফ্রান্সের জার্সিতে জিদানের শেষ ম্যাচ। তিনি মনে করেন, এভাবেই মানুষ তার শেষ ম্যাচটিকে মনে রাখুক। খেলোয়াড় হিসেবে যেমন, কোচ হিসেবেও সেরাটা দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন তিনি। রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক মিডফিল্ডার বলেছেন, "হ্যা, তখন জানতাম না একদিন কোচ হব। তাই আমার কাছে সেটাই ছিল শেষ এবং আমি বলতে পারি সময়টা খুব খুব কঠিন ছিল। আমি ফ্রান্স দলের কোচ হিসেবে ফেরার জন্য প্রস্তুত, আমার যা কিছু আছে তার সবই উজাড় করে দিতে চাই।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন