প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পশ্চিম কলম্বিয়ায় ৭ দশমিক ৪ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩১ জনে পৌঁছেছে। এই ঘটনায় ২৪০ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন এবং আহতের সংখ্যা ৪ হাজার ৪৪৯ জন। এছাড়া, ৩৬৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ইউনিট (ইউএনজিআরডি) মঙ্গলবার তাদের প্রকাশিত এক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কলম্বিয়ার ৩২টি বিভাগের মধ্যে ১৬টি বিভাগের ৪৯৪টি পৌরসভায় মোট ১ লাখ ৮৮ হাজার ৩৪টি পরিবার বা ৪ লাখ ৬ হাজার ২৭৩ জনকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
ভূমিকম্পটি ১০ আগস্ট স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৪ মিনিটে আঘাত হানে। এর কেন্দ্রস্থল প্রশান্ত মহাসাগরীয় চোকো বিভাগের সান হোসে দেল পালমারের কাছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল। চলতি শতাব্দীতে কলম্বিয়ায় আঘাত হানা ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে শক্তিশালী বলে বিবেচিত হচ্ছে।
ভূমিকম্পের ফলে পশ্চিম কলম্বিয়াজুড়ে বাড়িঘর এবং সরকারি অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ইউএনজিআরডির তথ্য অনুযায়ী, ৩৩ হাজার ২৭৫টি বাড়ি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছে এবং আরও ১ লাখ ৮৫ হাজার ৮৮৯টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এছাড়া, ৩৭৬টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ৩ হাজার ৮১৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ৪ হাজার ৩৩৭টি সামাজিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পরিবহন ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৪৪০টি সড়ক, ৭৪টি যানবাহন সেতু, ১৭টি পথচারী সেতু, পাঁচটি বিমানবন্দর এবং ১১৯টি পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভূমিকম্পের ফলে প্রাণীরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সর্বশেষ মূল্যায়ন অনুযায়ী, ২ হাজার ১৪৯টি প্রাণী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ২ হাজার ৯৪৯টিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
ইউএনজিআরডি জানিয়েছে, এসব পরিসংখ্যান এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের পাশাপাশি স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ ও সমন্বয় করছে। ফলে মৃত, নিখোঁজ এবং ক্ষয়ক্ষতির সংখ্যা আরও পরিবর্তিত হতে পারে। তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন