প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাজ্যের এক দমকলকর্মী আদালতে নিজের মামলা পরিচালনার জন্য চ্যাটজিপিটির সহায়তা গ্রহণ করেছেন। এই প্রক্রিয়ায় তিনি সাবেক প্রেমিকার কাছ থেকে ৪০ হাজার পাউন্ড সফলভাবে ফেরত পেয়েছেন।
৪০ বছর বয়সী ক্রেইগ টিচেনার ২০১৯ সালের নভেম্বরে ‘উইন্টার ওয়ান্ডারলাইনস’ লটারি স্ক্র্যাচকার্ডে ২ লাখ পাউন্ড জিতেছিলেন। ২০২২ সালে তিনি তার তৎকালীন প্রেমিকা হিদার ডগলাসকে ৪০ হাজার পাউন্ড প্রদান করেন।
ডগলাস একজন সাইকিয়াট্রিক নার্স। তার আর্থিক বিষয়ে জ্ঞান থাকায় টিচেনার আশা করেছিলেন যে, তিনি ওই অর্থ তার পক্ষে বিনিয়োগ করবেন।
আদালতে জানানো হয়, তাদের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল যে, টাকাটি প্রিমিয়াম বন্ডে বিনিয়োগ করা হবে এবং সেখান থেকে অর্জিত মুনাফা তারা ভাগ করে নেবেন।
পরে তাদের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর টিচেনার তার দেওয়া ৪০ হাজার পাউন্ড ফেরত চান। কিন্তু ডগলাস টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান।
টিচেনার প্রথমে আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে তাদের চাওয়া আইনজীবী ফি তার জন্য সামর্থ্যের বাইরে ছিল। এরপর তিনি আইনি সহায়তার জন্য চ্যাটজিপিটির সাহায্য নেন।
চ্যাটজিপিটি তাকে প্রয়োজনীয় ফর্ম পূরণ এবং আদালতে নিজেই কীভাবে মামলা পরিচালনা করবেন, সে বিষয়ে ধাপে ধাপে নির্দেশনা দেয়। সেই সহায়তা নিয়ে টিচেনার সেন্ট্রাল লন্ডন কাউন্টি কোর্টে নিজেই মামলা পরিচালনা করেন।
আদালতে টিচেনার বলেন, নিজে মামলা পরিচালনা করা তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তবে আইনজীবী নিয়োগের সামর্থ্য তার ছিল না। তিনি জানান, "চ্যাটজিপিটির সহায়তা ছাড়া আমি হয়তো মামলায় জয়ী হতে পারতাম না।"
অন্যদিকে, ডগলাসের দাবি ছিল যে, ৪০ হাজার পাউন্ড তাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ দিতে পারেননি। এমনকি আদালতে নিজের ব্যাংক স্টেটমেন্টও জমা দেননি। শেষ পর্যন্ত আদালত টিচেনারের পক্ষে রায় দেন এবং ৪০ হাজার পাউন্ড ফেরত পাওয়ার পথ খুলে যায়। এদিকে, ডগলাসের অভিযোগ ছিল যে, টিচেনার তাকে হয়রানি করার চেষ্টা করেছিলেন।
সূত্র: সামা টিভি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন