প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্যালন ডি’অরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে সম্প্রতি পিএসজি ও জর্জিয়ার ফরোয়ার্ড খিচা কাভারেস্খেইয়াকে নিয়ে একটি বিশেষ ফিচার প্রকাশ করা হয়েছে। এই ফিচারে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের জন্য মনোনীত এই তারকার ক্যারিয়ারের বিভিন্ন রূপকথা ও টার্নিং পয়েন্টগুলো চমৎকারভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। রাশিয়া ও ইতালির লিগে ঝলক দেখানোর পর কীভাবে তিনি প্যারিসের বুকে নিজের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন, নিবন্ধে তারই গল্প তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ক্যারিয়ারের সেরা স্বর্ণালী সময় পার করছেন এই জর্জিয়ান তারকা। গত মৌসুমে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১০টি গোল করার পাশাপাশি ৬টি গোলে সহায়তা (অ্যাসিস্ট) করেছেন তিনি। এর মাধ্যমে পিএসজির ইতিহাসে ইউরোপ সেরা এই টুর্নামেন্টের একক কোনো আসরে সর্বোচ্চ গোল অবদানের নতুন রেকর্ড গড়েছেন কাভারেস্খেইয়া।
তার খেলার গতি ও উচ্চমানের ফুটবলীয় বুদ্ধিমত্তার প্রশংসা করে নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, মাঠের ধারাবাহিকতাই তাকে বর্তমান বিশ্বের অন্যান্য ফরোয়ার্ডদের থেকে আলাদা করে তুলেছে। অসাধারণ ড্রিবলিং, ক্ষিপ্র গতিতে ডিফেন্ডারদের বোকা বানানোর ক্ষমতা এবং দুই পায়েই সমান দক্ষতা দেখেই লিওনেল মেসি, নেইমার ও কিলিয়ান এমবাপ্পে পরবর্তী যুগে তাকে বড় অঙ্কের অর্থ খরচ করে দলে টানে প্যারিসের ক্লাবটি।
ইতালিতে ‘কভারাদোনা’ হয়ে ওঠা
পিএসজিতে আসার আগে ইতালিয়ান ক্লাব নাপোলিতে কাটানো তিন বছর কাভারেস্খেইয়ার ক্যারিয়ারের মূল ভিত গড়ে দেয়। ব্যালন ডি’অরের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, নাপোলিতে থাকাকালীন তিনি বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষ আক্রমণভাগের তারকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন এবং দলকে দুটি লিগ শিরোপা জেতাতে মূল ভূমিকা রাখেন।
নাপোলির জার্সিতে তার চোখধাঁধানো পারফরম্যান্স দেখে ক্লাবটির সমর্থকেরা ভালোবেসে তার নাম দেন ‘কভারাদোনা’। আর্জেন্টিনার প্রয়াত ফুটবল মহাতারকা দিয়েগো ম্যারাডোনার নামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই উপাধির মর্যাদা তিনি মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই ধরে রেখেছেন।
বিশেষজ্ঞের চোখে কাভারেস্খেইয়ার প্রভাব
ফুটবল সাংবাদিক জেরোমি স্মিথের মতে, কাভারেস্খেইয়া কেবল মাঠের তারকা দ্যুতিই নন, বরং দলের ভেতর তৈরি করেছেন কঠোর পরিশ্রমের এক দারুণ সংস্কৃতি। তিনি আধুনিক ও ঐতিহ্যবাহী ফুটবলের এক অপূর্ব মিশ্রণ—টাচলাইন ধরে আক্রমণে ওঠেন, নিখুঁত টেকনিকে প্রতিপক্ষকে ছিটকে দেন এবং দল বল হারালে দ্রুত নিচে নেমে রক্ষণভাগকেও সহায়তা করেন।
স্মিথ আরও যোগ করেন, বড় কোনো ট্রফি জিততে হলে কেবল কৌশল বা ভাগ্যই যথেষ্ট নয়, দলের প্রধান খেলোয়াড়কেও নিজের সাধারণ সীমানা ছাড়িয়ে অসাধারণ কিছু করে দেখাতে হয়। গত দুই মৌসুমে পিএসজির জার্সিতে কাভারেস্খেইয়া ঠিক সেই কাজটিই করে দেখাচ্ছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন