প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে চার বছর বয়সী শিশু তাবাচ্ছুমকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলার একমাত্র আসামি আবু তাহেরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি, পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) ঝিনাইদহের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল বহুল আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।
এই মামলার ঘটনায় চার মাসের মধ্যে সরকারের বিশেষ নির্দেশনায় আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে ভিকটিম শিশুর পরিবার।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে উপজেলার বাদুড়গাছা গ্রামে চিপস ও জুস কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আবু তাহের চার বছরের শিশু তাবাচ্ছুমকে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়।
একপর্যায়ে, শিশুটি যন্ত্রণায় চিৎকার করতে শুরু করলে আবু তাহের তার নিজের লুঙ্গি দিয়ে শিশুটির শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে। পরে, রাতের ওই সময় শিশুটির মরদেহ একটি বস্তায় ভরে পাশের আব্দুল জব্বার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে লুকিয়ে রাখেন আবু তাহের।
এ ঘটনার পর পরই অভিযুক্ত পালিয়ে গেলেও পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে দ্রুততার সাথে ওই রাতেই কুষ্টিয়া শহরের একটি ভাড়াবাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে, আসামি আবু তাহের পুলিশের কাছে এবং সবশেষ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন গত ২৬ মে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। এরপর দ্রুততম সময়ে মামলার ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে রবিবার যুক্তিতর্ক শেষ হয়।
আসামি আবু তাহের একটি কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং তিনি বাদেডিহি গ্রামে শিশু তাবাচ্ছুমদের বাড়ির পাশে একটি ভাড়াবাসায় বসবাস করতেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন