প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের, দেশব্যাপী গ্রামীন বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে চার তলা বিশিষ্ট দোতলা মার্কেট ভবন নির্মাণের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত, দুই একর জমি ভূমি দস্যুরা দখল করে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারের উন্নয়নের স্বার্থে জেলা প্রশাসক বরিশালের রেভিনি ডেপুটি কালেক্টর, দেবযানীকর, স্বাক্ষরিত এত নাম্বার স্মারকে ৩১,১০,০৬০০১০৮১৪,০১৪,২২,৪৫১ গত ২৪/৪/২০২৪ তারিখে বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি বাজারের জেল নম্বর ১১ নিয়ামতি মৌজার এসএ ০১নম্বর খাস খতিয়ানের ১৫৪ নম্বর দাগের ২০একর জমিতে বহু দল মার্কেট নির্মাণের আলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এবং ওই জমি দখলমুক্ত করে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বাকেরগঞ্জ, নির্বাহী প্রকৌশলী এলজিডি বরিশাল, কমিশনার ভূমি বাকেরগঞ্জ, কে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। এর আলোকে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি তন্ময় হালদার, ২২/৬/২০২৬ স্বাক্ষরিত তফসিল সম্পত্তির বিবরণ অনাপত্তিসনদ এবং নিয়ামতি বাজারের পেরি ভেরি মিসকেস ০বিকে/ ১৯৯৮-৯৯ নং মিসকেস এর দাগ মেনশন করে ভবন নির্মাণের স্বার্থে অনাপ্তি প্রদান করা হয়। অপরদিকে তৎকালীন বাকেরগঞ্জ উপজেলার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা, সজল চন্দ্র শীল স্বাক্ষরিত গত ১৭ /১১/২০২২ তারিখে নিয়ামতি হাটবাজারের খাস জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে ১১ টি চান্দিনা ভিটা কেস বাতিল করে চিঠি প্রদান করেন। সরকারি জমির উপরে অবৈধভাবে যাদের চান্দিনা ভিটা বাতিল করা হয়েছে, এরা হলেন ১,মতিন জমাদার মিসেস৪৭বিকে২০০৪/২০০৫,২,মনির মিসেস নং ২৬ দিকে ২০০৮ /২০০৯,৩,জাহাঙ্গীর, ৪,সেলিনা, ৫,জাকির,মিস কেস নং ৩০ বিকে/২০১৮ ২০১৯, ৬ ,বাবুল নিকেশ নং ৩৫ /দিকে ২০০১-২০০২ ৭, শামসুল আলম, মিস কেস নং ২০০০/২০০১, ৮,আব্দুস সাত্তার মল্লিক, মিস কেস নং ১১ বিকে /২০০৩- ২০০৪, ৯,রায়হান ইসলাম, মিস কিস নং ৩২ দিকে /২০০৪ ২০০৫, ১০,কালাম, মিসেস নং ৩১বিকে/২০১৮,২০১৯ , ১১,সাগর খান, মিস কেস নং ৪১বিকে/২০০৩- ২০০৪, ১২,ফিরোজ, মিসকেস নং ৩৪ বিকে/২০১৮, ২০১৯ বাতিল করা হয়। নিয়ামতি বাজারের ব্যবসায়ীরা উন্নয়নের স্বার্থে ভূমি দস্যাদের দখল করা জমি বাতিল করে দেওয়ার পরেও তারা জোর করে ওই স্থানে বসবাস করতে চায়। সরেজমিনে জানা যায় সরকারি জমি যারা দখল করেছে, তাদের মধ্যে বাকেরগঞ্জে অল্প কয়েকজন রয়েছে। বাকিরা পার্শ্ববর্তী বড় হইয়া, বরগুনা তেতুবাড়িয়া এলাকার লোক, স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সাংবাদিকদের জানান, নিয়ামতি বন্দর উন্নয়নের স্বার্থে ব্যবসায়ীরা বালুঘাট ভরাট করেছে। স্থানীয় কুচক্রী মহল ৫ই আগস্ট এর পরে ইউনিয়নের ব্যাপক চাঁদাবাজি করেছে, বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। সোহেল ফরাজী, একজন ভালো মানের মানুষ, সমাজসেবক দানভীর, বর্তমানে অত্র নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি, ব্যক্তিগতভাবে বাজারের উন্নয়নে তার অনেক অবদান রয়েছে। বাজারের রাস্তার সংস্কার, এলাকায় উন্নয়নসহ ব্যাপক কাজ করেছেন। ভূমিদস্যুরা চাঁদাবাজরা একত্রিত হয়ে, বিএনপির সভাপতি সোহেল ফরাজী কে তার মান সম্মান ক্ষুন্ন করার পায়তারা চালাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে জড়িয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করায় এলাকাবাসী ব্যবসায়ীরা ফুসে উঠেছে। বুধবার সকাল দশটার দিকে নেয়ামতি বন্দরে এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে বন্দর উন্নয়নের স্বার্থে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ভবন হবে সরকারি, জায়গায় উপকৃত হবে জনসাধারণ ও ব্যবসায়ীরা, এটার সাথে সোহেল ফরাজির ব্যক্তিগত কোন স্বার্থ নেই। ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবি, ভবনটা যাতে নির্মিত হয়। সেই দিক বিবেচনা করে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সোহেল ফরাজি, ব্যবসায়ীদের পাশে দাড়িয়েছে। উন্নয়নে স্বার্থে জনগণের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছেন। তার এই উদ্যোগ দেখে স্থানীয় কিছু কুচক্রী মহল বিরোধিতা করছে। এমনকি তার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে। আগামী দিনের সকল ষড়যন্ত্রকে রুখে দিয়ে নিয়ামতির সর্বস্তরের জনগণ সোহেল ফরাজি পাশে থেকে সকল কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন