প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নড়াইল, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : চলতি মওসুমে জেলার ৩ উপজেলায় রোপা আমন ধানের ফলন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া এবং কৃষকদের কঠোর পরিচর্যায় কৃষকরা ইতোমধ্যে পাকা আমন ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ শুরু করেছেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, চলতি মওসুমে ৩ উপজেলায় রোপা আমন ধান চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৩ হাজার ৪শ’ ৬৫ হেক্টর জমিতে। কৃষি বিভাগের তৎপরতা এবং কৃষকদের আগ্রহের ফলে ৪৩ হাজার ৬শ’ ৭৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের চাষাবাদ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২শ’ ১০ হেক্টর বেশি জমিতে আমন আবাদ করা হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৭শ’ ৯১ মেট্রিক টন চাল।
নড়াইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিপু মজুমদার বাসসকে জানান, সদর উপজেলায় ২০ হাজার ১শ’ ৪০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, কিন্তু আবাদ হয়েছে ২০ হাজার ১শ’ ৬৩ হেক্টর জমিতে। লোহাগড়া উপজেলায় ১১ হাজার ২শ’ ৬৫ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও আবাদ হয়েছে ১১ হাজার ৪শ’ ৫০ হেক্টর জমিতে। কালিয়া উপজেলায় ১২ হাজার ৬০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও চাষ হয়েছে ১২ হাজার ৬২ হেক্টর জমিতে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিপ্তরের উপ-পরিচালক (ডিডি) মুহাম্মদ আরিফুর রহমান বাসসকে বলেন, কৃষকদের বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা দেয়ার ফলে প্রতিবছর তারা রোপা আমন চাষাবাদে আগ্রহী হচ্ছেন। আমন ধান কাটা শেষে কৃষকরা বোরো ধান ও সরিষাসহ অন্যান্য রবি শস্য চাষাবাদের প্রস্তুতি নেবেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে আমনের অধিক ফলন হবে বলে জানান ডিডি মুহাম্মদ আরিফুর রহমান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন