প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পরিবারের সুখ-দুঃখের মুহূর্তে পাশে থাকা, বিপদে সাহস জোগানো এবং নতুন সদস্যকে আপন করে নেওয়ার ক্ষেত্রে শাশুড়ির অবদান অনেক সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সম্পর্কের এই বিশেষ ব্যক্তির প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য আজ (২৫ অক্টোবর) শাশুড়ি দিবস উদযাপিত হচ্ছে।
প্রতি বছর অক্টোবর মাসের চতুর্থ রোববার দিবসটি পালন করা হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো শাশুড়ির সঙ্গে সম্পর্কের ইতিবাচক দিকগুলো উদযাপন করা এবং পরিবারে তার অবদানকে স্বীকৃতি প্রদান করা।
শাশুড়ির সঙ্গে সম্পর্ক কখনো কখনো মধুর হয়, আবার কখনো নানা কারণে টানাপোড়েনের সৃষ্টি হতে পারে। নতুন পরিবারে মানিয়ে নেওয়া, পারিবারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা কিংবা প্রজন্মের চিন্তাভাবনার পার্থক্য থেকে দূরত্ব তৈরি হতে পারে। তবে অনেক শাশুড়ি পরিবারের সদস্যদের পাশে দাঁড়িয়ে বিপদের সময়ে সহযোগিতা করেন এবং সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করেন।
তাহলে এই দিনটি শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতার জন্য নয়, বরং সম্পর্কের ইতিবাচক দিকগুলো স্মরণ করার এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধির একটি সুযোগ।
যেভাবে জানাবেন ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা
শাশুড়ি দিবস উদযাপনের জন্য বড় আয়োজনের প্রয়োজন নেই। একটি ফোনকল, আন্তরিকভাবে খবর নেওয়া অথবা একসঙ্গে কিছু সময় কাটানোই ভালোবাসা প্রকাশের সুন্দর উপায় হতে পারে। তার অবদানকে স্বীকার করে ধন্যবাদ জানানো অথবা পছন্দের কিছু উপহার দেওয়ার মাধ্যমেও দিনটিকে বিশেষ করে তোলা সম্ভব।
যদিও সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব থাকতে পারে, তবুও এই দিনটি নতুন করে কথা বলার এবং বোঝাপড়ার সুযোগ হিসেবে কাজ করতে পারে। আন্তরিকতা, শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে পারিবারিক সম্পর্ক আরও সুন্দর হয়ে উঠতে পারে।
‘ডেজ অব দ্য ইয়ার’ ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াসহ বেশ কিছু দেশে শাশুড়ি দিবস পালনের কথা উল্লেখ রয়েছে।
পরিবারের বন্ধনকে দৃঢ় করতে প্রতিদিনের ছোট ছোট যত্নের বিকল্প নেই। আর শাশুড়ি দিবস হতে পারে সেই যত্ন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি বিশেষ উপলক্ষ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন