প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনকে বিনামূল্যে দেওয়া সামরিক সহায়তা ও অস্ত্রের অর্থ ফেরত নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইউরোপীয় দেশগুলো ইউক্রেন ও ন্যাটোকে দেওয়া বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদের জন্য অর্থ পরিশোধ করত।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টের মাধ্যমে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন ইউক্রেনকে বিনামূল্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল পরিমাণ গোলাবারুদ সরবরাহ করেছে।
ট্রাম্প বলেন, ইউক্রেন ও ন্যাটোকে দেওয়া গোলাবারুদের মূল্য ‘শত শত বিলিয়ন ডলার’। তাঁর মতে, এই অর্থ ইউরোপীয় দেশগুলো বহন করত, যদি তাদের অর্থ পরিশোধ করতে বলা হতো। তিনি জানান, কিছুটা দেরিতে হলেও যুক্তরাষ্ট্র সেই অর্থ ফেরত চাইবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক গোলাবারুদের মজুত কমে যাওয়ার খবরটিও তিনি অস্বীকার করেন। ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে সংঘাতের কারণে মার্কিন গোলাবারুদের মজুত মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ার যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা সঠিক নয়। বরং যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি গোলাবারুদের মজুতও বৃদ্ধি করছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে মিত্রদেশগুলোর কাছে অস্ত্র বিক্রির পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে শিগগিরই মিত্রদের কাছে আবার অস্ত্র বিক্রি শুরু হবে বলেও জানান তিনি।
ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে ইউরোপীয় দেশগুলোর অর্থায়নের বিষয়টিও ট্রাম্প তুলে ধরেন। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো ‘প্রায়োরিটাইজড ইউক্রেন রিকয়ারমেন্টস লিস্ট’ নামে একটি উদ্যোগ গ্রহণ করে। এর আওতায় ইউরোপীয় দেশগুলো অর্থ পরিশোধ করে ইউক্রেনের জন্য মার্কিন অস্ত্র কিনে থাকে।
এর আগে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, ইরানের সঙ্গে সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্র তাদের নির্ভুল দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের বড় একটি অংশ ব্যবহার করেছে। এতে ভবিষ্যৎ সংঘাত মোকাবিলায় মার্কিন সামরিক সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং তেহরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের নতুন হুমকির মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে। তথ্যসূত্র: তাস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন