প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই ঘোষণা এসেছে। একই সাথে, তিনি তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের প্রতি জাপানের দৃঢ় সমর্থন প্রকাশ করেছেন।
মঙ্গলবার এক্সে প্রকাশিত একটি পোস্টে সানায়ে তাকাইচি জানান, বাংলাদেশ সফরে থাকা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তার শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের মতো অভিন্ন মূল্যবোধে বিশ্বাসী বন্ধু হিসেবে, তারেক রহমানকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানাতে পেরে তিনি আনন্দিত।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, গণতান্ত্রিক সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বাংলাদেশের সরকারকে জাপান দৃঢ়ভাবে সমর্থন করবে। দুই দেশের ‘কৌশলগত অংশীদারি’ এবং ঘোষিত ‘নেতৃবৃন্দের যৌথ বিবৃতি’র ভিত্তিতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়েও তিনি কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবেন।
সানায়ে তাকাইচি বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বাংলাদেশকে একটি মুক্ত ও অবাধ ইন্দো-প্যাসিফিক (এফওআইপি) অঞ্চলের বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন।
এ সময় বঙ্গোপসাগরীয় শিল্প প্রবৃদ্ধি বলয় বা ‘বিগ-বি’ (BIG-B) উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন দুই দেশের নেতারা। তাকাইচি জানান, তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে উদ্যোগটিকে নতুন কৌশলগত সহযোগিতামূলক কাঠামোয় রূপান্তরের সিদ্ধান্ত হয়েছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘শেয়ারিং প্রসপারিটি বিআইজি-বি’ হিসেবে।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী জানান, তারেক রহমানের কাছ থেকে তিনি জাপানের ‘শান্তিপ্রিয় জাতি’ হিসেবে পথচলা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দেশগুলোর অন্যতম হওয়ার ইতিহাস শুনেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জনগণের কাছে জাপানের বিশেষ স্থান রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাপান সরকার ও জনগণের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাকাইচি বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়াকে সংযুক্তকারী বাংলাদেশ জাপানের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৭ কোটি মানুষের বিশাল ও তরুণ জনসংখ্যার দেশটিতে অপার সম্ভাবনা বিদ্যমান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন