প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় শেয়ালের আক্রমণে নারী ও শিশুসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনকে গুরুতর অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গাংনী উপজেলার হিন্দা ও মাইলমারী গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন- হিন্দা গ্রামের মোজাম্মেল হকের স্ত্রী বাছিরন (৭৫), ইয়ারুলের স্ত্রী শিউলী খাতুন (৪৮), আক্কাস আলীর ছেলে নূর মোহাম্মদ, রেজাউল ইসলামের স্ত্রী আমিরন নেছা (৫০), আলমগীর হোসেনের স্ত্রী আরশোলা খাতুন (৪৩) এবং ইসরাফিলের ছেলে আতিয়ার (১৬)। মাইলমারী গ্রামের গোলাম হোসেনের ছেলে আব্দুল খালেকও আহত হয়েছেন।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যায় হিন্দা গ্রামের গোরস্তানের ভেতর থেকে একটি শেয়াল বের হয়ে গ্রামের মধ্যে প্রবেশ করে। এরপর এটি পথচারীদের ওপর এলোপাথাড়ি আক্রমণ চালাতে শুরু করে। এ ঘটনায় এলাকায় ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। শেয়ালটি হিন্দা মাঠপাড়া হয়ে মাইলমারী গ্রামের দিকে চলে যায়। শিশুসহ ১১ জনকে কামড় দেওয়ার পর স্থানীয়রা শেয়ালটিকে ধাওয়া করে, তখন এটি মাঠের দিকে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের মতে, খ্যাপা বা পাগলা শেয়াল এভাবে মানুষকে কামড় দেয়। এই ঘটনায় এলাকায় শেয়াল আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এদিকে, শেয়ালের কামড়ে আহত ১১ জনকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে আহতদের কয়েকজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে হাসপাতালে ইনজেকশন সাপ্লাই না থাকায় কয়েকজন স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে হিন্দা গ্রামের আমিরন নেছাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. রাসেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় আমিরন নেছাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন