প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেপাল বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সঙ্গে নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভাণ্ডারি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভাণ্ডারি এসব বিষয় তুলে ধরেন।
বৈঠকে দুই দেশের ক্রীড়া উন্নয়ন, পর্বতমালা সুবিধা গ্রহণ এবং সম্ভাব্য টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট সিরিজ আয়োজনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রদূত সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান শক্তিশালী রাজনৈতিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে ভাণ্ডারি দ্বিপাক্ষিক সম্পৃক্ততা আরও গভীর করার ওপর জোর দেন।
তিনি বলেন, "আমাদের মধ্যে চমৎকার রাজনৈতিক সম্পর্ক বিদ্যমান, তবে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে আরও অনেক কিছু করার বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।"
রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সিরিজ পুনরায় শুরুর জন্য বিশেষ প্রস্তাব দেন। তিনি উল্লেখ করেন, "সম্প্রতি নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যে কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়নি। আমাদের জনগণের—বিশেষ করে যারা সাম্প্রতিক দুর্যোগ কাটিয়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় আছেন—অনুপ্রেরণা প্রয়োজন।"
নেপালের রাষ্ট্রদূত বলেন, "আমরা বাংলাদেশের কাছে একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ আয়োজনের অনুরোধ জানাচ্ছি; আমাদের দল বাংলাদেশে যাওয়ার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত, অথবা আমরা বাংলাদেশ দলকে নেপালে সাদরে স্বাগত জানাব।"
এই প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়ে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক আঞ্চলিক সহযোগিতার অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে 'স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসি' বা ক্রীড়া কূটনীতির প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, "আমরা ক্রীড়া কূটনীতিতে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এবং বিভিন্ন খেলাধুলায় সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই কাজ করছি।"
তিনি নেপালি রাষ্ট্রদূতকে একটি আনুষ্ঠানিক আগ্রহপত্র (লেটার অফ ইনটেন্ট) জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন, যাতে মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা শুরু করতে পারে।
এছাড়া, প্রতিমন্ত্রী হক বাংলাদেশি ক্রীড়াবিদদের সহায়তায় নেপালের ভৌগোলিক সুবিধাকে কাজে লাগানোর প্রস্তাব দেন এবং পর্বতারোহণের ক্ষেত্রে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য নেপালকে আহ্বান জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন