প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দারা চুরির কারণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। রাতের অন্ধকারে চোর চক্র আবাসিক ভবনে প্রবেশ করছে এবং স্বর্ণালংকারসহ লাখ লাখ টাকা চুরি হচ্ছে। একের পর এক চুরির ঘটনায় নগরবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ৩টার দিকে মিরপুর ৬০ ফিটের পিরেরবাগ পাবনা গলিতে এক ব্যক্তি মালামাল নিয়ে রিকশায় উঠে চলে যাচ্ছেন। সকালে উঠেই হতভম্ব হয়ে যান ২৩৬/১ ভবনের বাসিন্দারা। কারণ, ৭তলা ভবনের বেশিরভাগ ফ্ল্যাটে রাতের বেলা চুরি হয়েছে।
বাড়ির মালিক পলাশ, যিনি দ্বিতীয় তলায় থাকেন, তার স্ত্রী জানান, ওই রাতে রান্নাঘরের গ্রিল কেটে চোর প্রবেশ করে। চুরি হয়েছে একটি মোবাইল ফোন এবং নগদ অর্থ।
পঞ্চম তলার ভাড়াটিয়া বাসায় না থাকার কারণে তালা কেটে সেখান থেকে নগদ অর্থসহ চার থেকে ৫ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার চুরি হয়। একইভাবে সপ্তম তলাতেও চুরি হয়েছে। সেখানে ভাড়াটিয়া বাসায় ছিলেন না এবং পুরো ফ্ল্যাট তছনছ করা হয়েছে। নগদ অর্থ ও ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার মালামাল চুরি হয়েছে।
এটি শুধু মিরপুরের একটি এলাকা নয়, আশপাশের বিভিন্ন স্থানে একই ধরনের চুরির ঘটনা ঘটছে। এতে জনমনে আতঙ্ক বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, ২ থেকে ৪ দিন পর পর এমন ঘটনা ঘটছে, যা উদ্বেগের বিষয়। তারা প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, জনমনে উদ্বেগ কমাতে এবং চুরি প্রতিরোধে কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। প্রতিটি ঘটনায় অপরাধী শনাক্ত হলে তাদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মুখপাত্র মো. আকতার হোসেন বলেন, "এটা প্রতিরোধের জন্য আমরা কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা চালু করেছি। আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে, যেকোনো ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ এবং শনাক্তকরণে আমরা এই ফোর্স নিয়েই কাজ করব।"
এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি জনগণকেও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ডিএমপি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন