প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কঙ্গোর গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃতের সংখ্যা ৬০০ জনে পৌঁছিয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মাত্র তিন দিন আগে মৃতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গিয়েছিল।
জেনেভা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থার হালনাগাদ তথ্যে বলা হয়েছে, মে মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে প্রাদুর্ভাব ঘোষণার পর পর্যন্ত ডিআর কঙ্গোতে এখন পর্যন্ত এক হাজার ৭৫৯টি নিশ্চিত সংক্রমণের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্য থেকে ৬০০ জনের মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবেশী উগান্ডায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে, যেখানে মোট ২০টি নিশ্চিত সংক্রমণের মধ্যে ১৭ জন ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
ডিআর কঙ্গোর স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্যের ভিত্তিতে ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, দেশটিতে এই প্রাদুর্ভাবে মৃত্যুহার ৩৪ শতাংশ।
ডিআর কঙ্গোতে এ পর্যন্ত ২৮৫ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন। পাশাপাশি ভাইরাসজনিত রক্তক্ষরণসহ এই জ্বরে আক্রান্ত সন্দেহভাজন আরও ৩০৪টি ঘটনা তদন্তাধীন রয়েছে।
দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে শুরু হওয়া এই প্রাদুর্ভাব চারটি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে, তবে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে ইতুরি প্রদেশ।
এবারের প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী বিরল বুন্ডিবুগিও প্রজাতির ইবোলা ভাইরাস। এই ধরনের ইবোলার জন্য এখনো পর্যন্ত অনুমোদিত কোনো টিকা বা চিকিৎসাপদ্ধতি নেই।
গত ২ জুলাই ডিআর কঙ্গোতে বুন্ডিবুগিও প্রজাতির ইবোলার সম্ভাব্য দুটি চিকিৎসাপদ্ধতির পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করা হয়েছে।
এই পরীক্ষায় মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি এমবিপি ১৩৪ ও অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ রেমডেসিভিরের কার্যকারিতা পৃথক ও সমন্বিতভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন