প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকার চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাবকমিটি আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে এই পুনঃপরীক্ষার আয়োজনের প্রস্তাব করেছে। ফলাফল প্রকাশের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৩১ ডিসেম্বর।
গত শনিবার আন্ত শিক্ষা বোর্ড থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এই প্রস্তাবটি পাঠানো হয়েছে। যেহেতু বিদ্যমান বিধিমালায় এ ধরনের পরীক্ষা গ্রহণের জন্য কোনো সুযোগ নেই, তাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের লিখিত নির্দেশনা পাওয়ার পরই ২ ডিসেম্বর থেকে বোর্ডগুলো পুনঃপরীক্ষার সূচি ঘোষণা করবে।
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান আজ সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এইচএসসি পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা গ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশ আগামী ২ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, আন্ত শিক্ষা বোর্ড আগামী ৩ নভেম্বর থেকে পুনঃপরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু করার প্রস্তাব দিয়েছে, যা চলবে আগামী ৮ নভেম্বর পর্যন্ত। ১ নভেম্বর থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত প্রশ্ন প্রণয়নের কাজ চলবে।
গত শনিবার সচিবালয়ে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এবারে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট পাঁচ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ শিক্ষার্থী ফেল করেছে। এর মধ্যে এক বিষয়ে ফেল করেছে দুই লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন এবং দুই বিষয়ে ফেল করেছে এক লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন। এক ও দুই বিষয় মিলিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে চার লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জনকে।
ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী মন্তব্য করেন, ‘তাদের পরীক্ষা আমরা এক মাসের মধ্যে নিয়ে নেব, যেন তাদের আগামী দিনে একটি বছর নষ্ট না হয়।’
চলতি বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে পাস করেছে ছয় লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী এবং পাস করতে পারেনি পাঁচ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন