প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেত্রকোনার কেন্দুয়া-নেত্রকোনা সড়কের রামপুর এলাকায় বিদ্যুতের খাম্বাবাহী একটি লরির সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মামুন মিয়া (২৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি একটি ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুর্ঘটনার পর লরিটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পরে ময়মনসিংহের নান্দাইল চৌরাস্তা এলাকা থেকে চালকসহ সেটিকে আটক করে পুলিশ।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে রামপুর বাজারসংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মামুন মিয়া নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের পাইলাটি গ্রামের বজলু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পেশাগত দায়িত্ব শেষে মোটরসাইকেলে করে কেন্দুয়া থেকে পূর্বধলার দিকে যাচ্ছিলেন মামুন মিয়া। একই সময়ে নেত্রকোনা থেকে বিদ্যুতের খাম্বা বোঝাই একটি লরি চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। রাত ১১টার দিকে রামপুর এলাকায় লরিটির সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা মামুনের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কের পাশে পড়ে গুরুতর আহত হন মামুন। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে রামপুর বাজারের দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর মৃত্যু হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
দুর্ঘটনার পর লরিটি ঘটনাস্থল থেকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে স্থানীয় লোকজন লরিটির অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশকে খবর দেন। তাঁদের সহায়তায় ময়মনসিংহের নান্দাইল চৌরাস্তা এলাকা থেকে চালকসহ লরিটি আটক করা হয়।
আটক চালকের নাম জসিম উদ্দিন (৩৮)। তিনি কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের খয়রাবাদ গ্রামের মৃত আব্দুল মমিনের ছেলে।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সোমবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও জানান, লরিটি জব্দ করা হয়েছে এবং চালক জসিম উদ্দিনকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং দায় নির্ধারণে তদন্ত চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন