প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মেহেরপুরে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগে দুই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ রবিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে মেহেরপুর শহরের নিমতলা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারির ঘটনা গাংনীর কাজিপুর ডিগ্রি কলেজে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার মামলার সাথে সম্পর্কিত।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন হলেন কাজিপুর ডিগ্রি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মনিরুজ্জামান বিপ্লব এবং অপরজন রফিকুজ্জামান বাবর আলী। তারা মামলার এজাহারভুক্ত ১ ও ২ নাম্বার আসামি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।
এর আগে, গত ২৯ আগস্ট তেঁতুলবাড়িয়া এলাকা থেকে পুলিশ খায়রুজ্জামান ওরফে আকামত নামের এক অজ্ঞাতনামা আসামিকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
মামলার এজাহার ও সাংবাদিকদের অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ইংরেজি প্রথম পত্রের পরীক্ষা চলাকালে নাগরিক টেলিভিশনের মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি রাব্বি আহমেদ ও দৈনিক খবরের কাগজের মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি তারেক হোসেন পরীক্ষার্থীদের বই খুলে পরীক্ষা দেওয়ার দৃশ্য ধারণ করতে যান। সেই সময় তাদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং মারধরের অভিযোগ ওঠে। পরে তাদের দুটি মোবাইল ফোন ও নাগরিক টেলিভিশনের বুম মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নিয়ে একটি কক্ষে আটকে রাখার অভিযোগ করা হয়। আহত দুই সাংবাদিককে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তারা গাংনী থানায় গিয়ে মামলা করেন।
এ ঘটনায় দুই শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরো ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে গাংনী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪৬/২৬। এতে দণ্ডবিধির ৩২৩, ৩৭৯, ১১৪ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
গাংনী থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলার বাকি আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তদন্তে ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় মেহেরপুরের সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা ঘটনার সাথে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন