প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় শুক্রবার তুরস্কের একটি ব্যাংকের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, যা ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ার অভিযোগে করা হয়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার ছয় মাস পর ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
এএফপি সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে তুরস্কের গোল্ডেন গ্লোবাল ব্যাংক এবং এর কিছু সহযোগী প্রতিষ্ঠান। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের দাবি, এই প্রতিষ্ঠানগুলো আইআরজিসির হয়ে কয়েক কোটি ডলারের আর্থিক লেনদেন পরিচালনা বা সহজতর করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ রয়েছে যে, ব্যাংকটি তেহরানকে গুরুত্বপূর্ণ ‘করেসপন্ডেন্ট ব্যাংকিং’ সুবিধা প্রদান করেছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ইরান আন্তর্জাতিকভাবে অর্থ স্থানান্তর করতে সক্ষম হয়।
ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপের এক সপ্তাহ আগে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে কার্যক্রম পরিচালনাকারী মিসরের একটি বড় ব্যাংককে মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থার বাইরে নিয়ে যাওয়ার দিকে এগিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, ‘আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো কঠোরভাবে বুঝতে পারছে যে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নিয়ে আমরা কতটা কঠোর।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আশা করি আর কোনো ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে না। তবে সেটি শেষ পর্যন্ত নির্ভর করছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কত দ্রুত বাস্তবতা উপলব্ধি করে এবং হত্যাযজ্ঞ চালানো ইরানি শাসনব্যবস্থাকে সমর্থন করা বন্ধ করে তার ওপর।’
এর আগে, মঙ্গলবার বেসেন্ট জানিয়েছিলেন যে, চলতি সপ্তাহে একটি এবং পরের সপ্তাহে আরও একটি ব্যাংকের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হতে পারে। এর মাধ্যমে ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে আরও চাপে ফেলার অঙ্গীকার করেছিলেন তিনি।
উত্তর ক্যারোলাইনার অ্যাশভিলে অনুষ্ঠিত জি-২০ অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরদের বৈঠকের ফাঁকে তিনি এই কথা বলেন। সেখানে চলমান সংঘাতে ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে মিত্র দেশগুলোর সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করেন তিনি।
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল আকস্মিক বিমান হামলা চালায়, যার ফলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হন।
সম্প্রতি, বেসেন্ট ঘোষণা করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ শুরু করছে। এই অভিযানে অংশ না নেওয়া দেশগুলোর জন্য কঠোর পরিণতিরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন