প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিয়ের মাত্র এক মাস পূর্ণ, হাতের মেহেদির রঙ এখনও পুরোপুরি ওঠেনি। এর মধ্যেই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন মজনু (২৭) নামে একজন যুবক।
এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (২৯ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার আনন্দধাম ফায়ার সার্ভিস কার্যালয়ের সামনে।
নিহত মজনু ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলার ডাউকি ইউনিয়নের নিজাম উদ্দীনের ছেলে, তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছোট ভাই পলাশকে ঢাকাগামী বাসে তুলে দিতে সোমবার রাতে আলমডাঙ্গা বাস টার্মিনালে যান মজনু। ভাইকে বাসে তুলে দেওয়ার পর মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার সময় আনন্দধাম ফায়ার সার্ভিস কার্যালয়ের সামনে পৌঁছানোর পর সড়কে পড়ে থাকা পাথরের ওপর মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিছলে যায়। এ সময় তিনি সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বাবা নিজাম উদ্দীন বলেন, প্রায় এক মাস আগে কুষ্টিয়া জেলার ইবি থানার ধুলি শ্রীপুর গ্রামে পারিবারিকভাবে মজনুর বিয়ে হয়েছে। ওই বিয়েতে ছোট ছেলে পলাশ ঢাকা থেকে বাড়িতে এসেছিলেন। সোমবার রাতে পলাশকে ঢাকাগামী বাসে তুলে দিতে গিয়ে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন মজনু।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভার ড্রেন নির্মাণকাজের জন্য সড়কে ফেলে রাখা পাথরের কারণেই এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। তারা এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলা’র অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (ওসি) বানী ইসরাইল জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সুরতহাল রিপোর্ট শেষে মরদেহটি পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন