প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করার লক্ষ্যে এবং তরুণ প্রজন্মকে মাঠমুখী করার জন্য আগামী ১ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসরের (২০২৬-২৭) অনলাইন রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া।
সোমবার (২৯ জুন) বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের ডাচ বাংলা ব্যাংক অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এই ঘোষণা দেন।
আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দুই মাসব্যাপী এই রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চলবে। ১ সেপ্টেম্বর ২০১২ থেকে ৩১ আগস্ট ২০১৪ সালের মধ্যে জন্মগ্রহণকারী ১২ থেকে ১৪ বছরের শিশু-কিশোররা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিভাদের যুক্ত করতে স্কুল, ক্লাব ও জেলা ক্রীড়া অফিসের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী সবাইকে অবগত করেন। প্রতিযোগিতা আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত চলবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দ্বিতীয় আসরের পরিধি তৃণমূল পর্যায়ে আরও বিস্তৃত করা হয়েছে। প্রথম আসরে কেবল উপজেলা দলগুলো জেলা পর্যায়ে অংশ নেয়ার সুযোগ পেলেও, এবারের আসরে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন এবং সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ড দল সরাসরি উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পাবে।
এছাড়া তরুণদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে প্রথম আসরের ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার, দাবা, ব্যাডমিন্টন ও মার্শাল আর্টের সাথে এবার নতুন করে টেবিল টেনিস এবং ভলিবল যুক্ত করা হয়েছে। ফলে মোট ১০টি ইভেন্টে দেশের বিপুল সংখ্যক তরুণ ক্রীড়াবিদ তাদের মেধা বিকাশের প্ল্যাটফর্ম পাবে।
‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬’ (প্রথম আসর)-এর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার তারিখ চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী ১৮ জুলাই ঢাকার মিরপুর জাতীয় স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই প্রতিযোগিতার পর্দা উঠবে। ১০টি অঞ্চলের বাছাই করা দেশসেরা কিশোর ও তরুণ অ্যাথলেটদের নিয়ে আয়োজিত এই ক্রীড়া উৎসব চলবে ২৭ জুলাই পর্যন্ত। ২৭ জুলাই বিকেল ৩ টায় ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, শুধুমাত্র একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করাই সরকারের লক্ষ্য নয়। বরং এই নতুন কুঁড়িদের পরিচর্যা করে আগামী দিনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তোলা এই ধরনের আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
প্রথম আসরে ১০টি অঞ্চল থেকে মোট অংশগ্রহণকারীর খেলোয়াড়ের সংখ্যা ছিল এক লাখ ৬৮ হাজার ৬৫৬ জন, এর মধ্যে বালক এক লাখ ২১ হাজার ৪৯৯ এবং বালিকা ৪৭ হাজার ১৫৭ জন। জাতীয় পর্যায়ে খেলোয়াড় ও কর্মকর্তার সংখ্যা হবে মোট এক হাজার ৭০০ জন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন