প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দিনাজপুর, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ : নবাবগঞ্জের চড়ারহাট ট্র্যাজেডি দিবসটি পালন করা হয়েছে।
আজ শনিবার, শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে বীর মুক্তিযোদ্ধারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৭১ সালের ১০ অক্টোবর ভোরে, নবাবগঞ্জ উপজেলার প্রাণকৃষ্ণপুর চড়ারহাট ও আন্দোলগ্রাম এলাকায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গণহত্যা চালায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই ঘটনায় নারী, পুরুষ ও শিশুসহ প্রায় ১৫৭ জন নিরীহ মানুষ শহীদ হন। তাদের মধ্যে ৯৮ জনের মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছিল।
মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুর রশিদ বাসসকে জানান, সেদিন ফজরের আজানের সময় হানাদার বাহিনী দুটি গ্রাম ঘিরে ফেলে। পরে গ্রামবাসীদের একত্রিত করে মেশিনগান দিয়ে গুলি চালানো হয়। এতে বহু নিরীহ মানুষ প্রাণ হারান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পার হয়ে গেলেও এই গণহত্যার পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস সংরক্ষণ এবং গণকবরগুলোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। অবহেলা ও অযত্নে গণকবরগুলোর অনেক চিহ্নও হারিয়ে গেছে।
গণহত্যা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, আহতদের যুদ্ধাহত হিসেবে স্বীকৃতি ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে, চড়ারহাট শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয় জাতীয়করণের দাবি তুলেছেন তারা।
শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণে স্থানীয় উদ্যোগে চড়ারহাটে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে।
এছাড়া, এলাকায় শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয় ও শহীদ স্মৃতি বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, গণহত্যার ইতিহাস সংরক্ষণ ও শহীদ পরিবারের মর্যাদা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন