প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কেনিয়ায় একাধিক যানবাহনের সংঘর্ষের ফলে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই ক্যাথলিক তীর্থযাত্রী ছিলেন। তারা প্রার্থনার উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দেশটির পুলিশ জানায়, রাজধানী নাইরোবি থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে সালামা এলাকায় মধ্যরাতের পর এই দুর্ঘটনা ঘটে। মোম্বাসা উপকূলীয় শহরের দিকে যাওয়ার মহাসড়কে একটি ট্রাক অন্য একটি ট্রাককে ওভারটেক করার চেষ্টা করলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সংঘর্ষ ঘটে। এ সময় একটি তীর্থযাত্রীবাহী মিনিবাসসহ একাধিক যানবাহন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।
কেনিয়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তীর্থযাত্রীরা ১৪ আসনের একটি মিনিবাসে করে যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনায় মিনিবাসটির চালক এবং ১৬ যাত্রী ঘটনাস্থলেই মারা যান। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ছিলেন।
ক্যাথলিক আর্চডায়োসিস অব মোম্বাসার আর্চবিশপ মার্টিন কিভুভা জানিয়েছেন, তীর্থযাত্রীরা নাইরোবির পশ্চিমে নাকুরু কাউন্টির একটি প্রার্থনাস্থলের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে তিনি বলেন, "এই মৃত্যুতে তারা অত্যন্ত বেদনাহত।"
নিহতদের পরিবারের সদস্য, স্বজন এবং পুরো ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটো।
দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে কেনিয়ার ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড সেফটি অথরিটি (এনটিএসএ)। সংস্থাটি জানিয়েছে, সংঘর্ষের পেছনের পূর্ণ পরিস্থিতি জানতে তদন্তকারীদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।
এনটিএসএ বলেছে, দুর্ঘটনাস্থলের সড়কটি পূর্ব থেকেই ‘ব্ল্যাক স্পট’ হিসেবে পরিচিত। ওই সড়কের নিরাপত্তা নিয়ে এর আগে বিভিন্ন সুপারিশও করা হয়েছিল।
আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়মিতভাবে প্রাণহানি ঘটায়। কেনিয়াসহ এ অঞ্চলে এসব দুর্ঘটনার জন্য প্রায়ই যানবাহনের দুরবস্থা, অতিরিক্ত গতি এবং সড়কের খারাপ অবস্থাকে দায়ী করা হয়।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের এনটিএসএ-উদ্ধৃত তথ্য অনুযায়ী, গত বছর কেনিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ হাজার ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই প্রাণ গেছে ২ হাজার ১৫০ জনের।
সূত্র: আল জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন